শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ মে ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইরানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জানজানে একটি বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরিত হয়ে নিহত হয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ জন সদস্য এবং আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

আইআরজিসির আনসার আল মাহদি ইউনিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, বিস্ফোরিত বোমাটি কী ধরনের— তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতরা সবাই সেই ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

জানজান শহরে যে এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে— সেখানে বেশ কিছু ক্লাস্টার বোমা এবং এয়ার-ড্রপড মাইন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় বেশ কিছু বোমা ফেলেছিল মার্কিন বিমানবাহিনী— যেগুলো অবিস্ফোরিত থেকে গেছে।

আরও পড়ুন

জার্মানি থেকে ৫০০০ সৈন্য প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। জানজান শহরের ঘটনাকে চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে আইআরজিসির সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

যুদ্ধবিরতির পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিস্ফোরিত বোমার অনুসন্ধান এবং সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যরা। আইআরজিসির তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে বাহিনীর বোমা বিশেষজ্ঞ টিম।

ভোরের আকাশ/আ.র

আইআরজিসি সদস্য নিহত

শেয়ার করুন: