শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় পাথরের খনি ধসে নিহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ জুন ২০২৫, ৬:৩৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইন্দোনেশিয়ায় পাথরের খনি ধসে নিহত ১০
ইন্দোনেশিয়ায় পাথরের খনি ধসে নিহত ১০

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের সিরেবন অঞ্চলের গুনুং কুদা এলাকায় একটি পাথরের খনি ধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।

শুক্রবার (৩০ মে) ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা আলজাজিরা। জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় খনির অভ্যন্তরে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। ধসের পর থেকে এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন অনেকে।

উদ্ধারকাজ এখনও চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া নিখোঁজদের সন্ধানে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে তিনটি খননযন্ত্রসহ ভারী যন্ত্রপাতিও চাপা পড়ে গেছে বলে জানানো হয়। উদ্ধার তৎপরতা শনিবার পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত আহত ১২ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খনির ধসের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট খনি মালিক ও শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।

পশ্চিম জাভার গভর্নর ডেডি মুলিয়াদি এক বিবৃতিতে বলেন, “ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক। এটি শুধু জীবনের জন্য নয়, পরিবেশের জন্যও হুমকি তৈরি করছে।” এ অবস্থায় তিনি পশ্চিম জাভার চারটি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ খনি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় এ ধরনের খনি দুর্ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়মিত তদারকির অভাবকে এসব ঘটনার জন্য দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে আবারও শ্রমিক নিরাপত্তা ও খনি ব্যবস্থাপনার প্রশ্নটি সামনে চলে এসেছে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: