শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আলেমদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে বুরকিনা ফাসোর সরকার, বাড়ছে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আলেমদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে বুরকিনা ফাসোর সরকার, বাড়ছে বিতর্ক
আলেমদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে বুরকিনা ফাসোর সরকার, বাড়ছে বিতর্ক

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসক ইব্রাহিম ত্রাওরে মুসলিম আলেমদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেছেন, ইসলামকে উগ্রবাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি দাবি করেন, উগ্র ইসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের লড়াই শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি এক বক্তব্যে ত্রাওরে বলেন, কেউ যদি ধর্মের নামে চরমপন্থা ছড়ায়, তাহলে সরকার তা বরদাশত করবে না। একই সঙ্গে তিনি সরকারের বিতর্কিত ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন-এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, এটি দেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

তিনি আরও জানান, যেসব ইমাম খুতবায় উগ্রবাদ ছড়াবেন, তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে। তবে শান্তিপূর্ণ ইসলাম প্রচারকারী আলেমদের রাষ্ট্রীয় সহায়তার আশ্বাসও দেন।

এর আগে, গত মে মাসে আইনটির সমালোচনা করায় প্রভাবশালী সুন্নি আলেম ইমাম মোহাম্মদ ইসহাক কিন্দোকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হলে রাজধানী ওয়াগাদুগুর বৃহত্তম সুন্নি মসজিদ বন্ধ করে দেয় পাশাপাশি তার প্রায় ১০০ সমর্থককে ‘নাগরিক প্রশিক্ষণ’-এর নামে সামরিক শিবিরে পাঠানো হয়।

গত ২০ জুন অন্তর্বর্তীকালীন পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন পাস করে। আইনে শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করা এবং কিছু ধর্মীয় অনিয়মের জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সরকার বলছে, আইনটি ধর্মনিরপেক্ষ সাংবিধানিক কাঠামো শক্তিশালী করবে। তবে সমালোচকদের মতে, এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২২ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর সামরিক সরকারের সঙ্গে মুসলিম আলেমদের যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা ছিল, তা ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো। এতে সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান এবং জঙ্গিবাদ মোকাবিলার প্রচেষ্টা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

এদিকে সরকার বিদেশে ইসলামি শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধের ঘোষণা দিয়েছে। অনুমতি ছাড়া বিদেশে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করা যাবে না এবং বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় নাগরিকত্ব বাতিলের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে বুরকিনা ফাসো ইসরাইলের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে ইসরাইলের নতুন রাষ্ট্রদূত আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

ভোরর আকাশ/এনএ

আলেমদের বিক্ষোভফাসোর সরকার

শেয়ার করুন: