শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কিউবার অর্থনীতিকে আরও চেপে ধরা এবং দেশটির বহুমুখী সংকটকে তীব্র করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় স্থান পেয়েছেন সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি ফিদেল এরনেস্তো কাস্ত্রো এবং কিউবার তেল খাত সরঞ্জাম আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান 'আবাপেক' (Abapet)। প্রতিষ্ঠানটি মূলত কিউবার জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ গ্রিড সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির দায়িত্বে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, মার্কিন এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো কিউবার জরুরি যন্ত্রপাতি অকেজো করে দেওয়া এবং দেশটির চলমান বিদ্যুৎ সংকটকে এক ভয়াবহ রূপ দেওয়া। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কিউবায় শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো ছাড়া অন্য কোনো পরিবর্তনে রাজি নয় বলে মন্তব্য করেছেন নিষেধাজ্ঞা বিশ্লেষক ব্রেট এরিকসন।

আরও পড়ুন

শুভ জন্মাষ্টমী আজ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ফিদেল কাস্ত্রো পরিবার ও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত আর্থিক নেটওয়ার্ককে নিশানা করতেই এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।

বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে কিউবায় ব্যাপক লোডশেডিং চলছে, যার ফলে পানি সরবরাহ বন্ধসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ একে "সমষ্টিগত শাস্তি ও অপরাধ" আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে দীর্ঘদিনের মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: সিবিসি

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: