শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘নো-কিল’ আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৭ কুকুরের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ‘নো-কিল’ পশু আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ১১৭টি কুকুরের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কিছু পচে গেছে, আবার কিছু কঙ্কালসার অবস্থায় রয়েছে। অনেক কুকুরের শরীরে গুলির চিহ্নও পাওয়া গেছে। রোববার (২৮ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, ‘মিরান্ডাস রেসকিউ অ্যানিমেল স্যাঙ্কচুয়ারি’তে পশুদের গণকবর দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়ার পর সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাটি খুঁড়ে কুকুর পালনে ব্যবহৃত প্রায় ৬০০টি গলার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রটি থেকে শত শত প্রাণী নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সম্ভাব্য জালিয়াতি ও পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগে তদন্ত শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও পরিচালক শ্যানন মিরান্ডা জনসাধারণকে পুরো বিষয়টি বোঝার আহ্বান জানান। তবে তদন্তের অগ্রগতির আগে তিনি এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছিলেন।

গত এপ্রিলে হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে পশু নির্যাতন ও জালিয়াতির অভিযোগের কিছু প্রমাণ পাওয়ার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এক প্রতিবেশী অনুমতি ছাড়াই আশ্রয়কেন্দ্রের এলাকায় প্রবেশ করে মাটি খুঁড়ে মৃত কুকুর দেখতে পান। এরপর বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তদন্ত শুরু হয়।

শেরিফ উইলিয়াম হনসাল জানান, ২০২৫ সালের শুরু থেকে আশ্রয়কেন্দ্রটি প্রায় ৯০০টি প্রাণী গ্রহণ করেছে। তবে এ সময়ের মধ্যে মাত্র ১১৬টি কুকুর নতুন মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে ৭০০টিরও বেশি কুকুরের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার শেরিফের কার্যালয় জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রের ৫০ একর এলাকায় খনন চালিয়ে ১১৭টি কুকুরের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ২১টি কুকুরের খুলি, শত শত হাড় এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের মধ্যে ৭০টির এক্স-রে করা হয়েছে। এতে গুলির টুকরা পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এসব কুকুরের বেশ কয়েকটিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা চরমে, কঠোর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

শেরিফের কার্যালয় আরও জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে একটি আস্তাবলও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অধিকাংশ মৃত কুকুরের শরীরে পরিচয় শনাক্তের জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোচিপ লাগানো ছিল।

অভিযুক্ত শ্যানন মিরান্ডা এক বিবৃতিতে বলেন, এটি একটি ‘নো-কিল’ আশ্রয়কেন্দ্র ছিল। অন্যান্য আশ্রয়কেন্দ্রে জায়গা না হলে প্রাণীগুলো এখানে পাঠানো হতো। তার দাবি, শুধুমাত্র মরণব্যাধিতে আক্রান্ত বা মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠা প্রাণীগুলোকেই ‘ইউথানেসিয়া’ বা ব্যথাহীন মৃত্যুর মাধ্যমে শেষ করা হতো। জায়গা খালি করার জন্য কোনো প্রাণীকে হত্যা করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন। সূত্র: বিবিসি 

ভোরের আকাশ/সু.পা

উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া

শেয়ার করুন: