শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত সীমান্তে ১১টি জে-২০ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর সীমান্ত ঘেঁষে অন্তত ১১টি পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে শিনজিয়াং ও তিব্বতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে এসব যুদ্ধবিমান শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ সংস্থা ভ্যান্টর।

উপগ্রহচিত্র অনুযায়ী, ৯ জুলাই শিনজিয়াংয়ের হোতান বিমানঘাঁটিতে এক সারিতে সাতটি জে-২০ যুদ্ধবিমান পার্ক করা ছিল। ঘাঁটিটি ভারতের লাদাখের লেহ শহর থেকে প্রায় ৩৮৯ কিলোমিটার এবং দৌলত বেগ ওল্ডি বিমানঘাঁটি থেকে প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। অন্যদিকে, তিব্বতের দামশুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি জে-২০ যুদ্ধবিমান দেখা গেছে। এই ঘাঁটি অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং এলাকার উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৩৪৪ কিলোমিটার দূরে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো চীনা বিমানঘাঁটিতে একসঙ্গে এতসংখ্যক জে-২০ যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বাণিজ্যিক উপগ্রহচিত্রে এবারই প্রথম ধরা পড়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও নিউস্পেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সমীর জোশী বলেন, হোতান ও দামশুংয়ে জে-২০ মোতায়েন প্রমাণ করে যে সীমান্তসংলগ্ন উচ্চভূমির ঘাঁটি থেকে পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা এখন চীনা বিমানবাহিনীর নিয়মিত সক্ষমতার অংশ। এটি কেবল শক্তি প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং স্থায়ী মোতায়েনের ইঙ্গিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জে-২০-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর স্টিলথ প্রযুক্তি, যা প্রচলিত রাডারে শনাক্ত করা কঠিন। ফলে এটি চতুর্থ প্রজন্মের উন্নত যুদ্ধবিমানের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কৌশলগত সুবিধা পায়। বর্তমানে ভারতের নিজস্ব কোনো স্টিলথ যুদ্ধবিমান নেই। দেশটির অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট প্রকল্পের কাজ চললেও সেটি বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হতে আরও অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের ১২৩ একর জমি দখল, লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল

চীনের জে-২০ বহরও দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রায় ৫০টি জে-২০ থাকলেও ২০২২ সালের শেষে তা বেড়ে প্রায় ২০০-তে পৌঁছায়। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বার্ষিক উৎপাদন প্রায় ১২০টিতে উন্নীত হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মাঝামাঝি চীনের হাতে আনুমানিক ৩০০ থেকে ৫০০টি জে-২০ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের জে-২০ বহর এক হাজারে পৌঁছাতে পারে।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল নর্মদেশ্বর তিওয়ারি বলেন, বছরে শতাধিক যুদ্ধবিমান উৎপাদনের সক্ষমতা চীনের প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিপক্বতা ও শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থার প্রমাণ। বর্তমানে ভারতের বিমানবাহিনীর কাছে ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান রয়েছে, যা দুটি স্কোয়াড্রনে মোতায়েন আছে। এছাড়া দেশটি রাফায়েলের আরও ২৬টি নৌ সংস্করণ অর্ডার করেছে এবং বিমানবাহিনীর জন্য অতিরিক্ত ১১৪টি রাফায়েল কেনার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। ভারতের বহরে ২৬০টির বেশি সুখোই-৩০ এমকেআই ছাড়াও মিরাজ-২০০০ ও মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানও রয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

চীন

শেয়ার করুন: