শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য সংকট

নিজেই জর্জরিত, তবুও কেন অন্যের ‘ঝামেলায়’ জড়াল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা আর প্রতিবেশী অঞ্চলের জটিল সংঘাতে যখন চাপে পাকিস্তান, তখনই ইসলামাবাদের কূটনৈতিক ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সামনে এসে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে দেশটি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই বড় কূটনৈতিক উদ্যোগের পেছনে রয়েছে পাকিস্তানের নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ।

নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংঘাত সামাল দিতেই হিমশিম খাওয়া একটি দেশ পাকিস্তান। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে ইসলামাবাদ।

তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, নিজ দেশের স্বার্থের চাপেই পাকিস্তান এত বড় একটি সংঘাত থামাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্ত রয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সুসম্পর্ক বজায় রাখার চাপের কথাও বলছেন বিশ্লেষকেরা।

মিডল ইস্ট পলিসি কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো কামরান বুখারি বলেন, ‘পাকিস্তান আসলে দুই ধরনের চাপে আছে। সবচেয়ে বড় চাপ হলো ইরানের সঙ্গে সীমান্ত থাকায় দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার চাপ। অন্যদিকে আরেকটি চাপ হলো রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের সুসম্পর্ক। ফলে যুদ্ধ আরও বড় আকার ধারণ করলে পাকিস্তানকে বাধ্য হয়ে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হতে পারে।’

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কয়েক সপ্তাহ ধরে কূটনৈতিক তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন। পাকিস্তানের এই ভূমিকা এক চমকপ্রদ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন কিছু বিশ্লেষক। কারণ, এক বছর আগেও দেশটির কূটনীতি ছিল খাদের কিনারে।

কামরান বুখারি বলেন, ‘তৃতীয় পক্ষ হিসেবে পাকিস্তান তার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটি শুধু বার্তা আদান-প্রদানেই থেমে নেই; বরং দুই পক্ষকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি করানোর চেষ্টা করছে।’

পাকিস্তানের এখন মধ্যস্থতা করার মতো যথেষ্ট যোগাযোগ ও বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে। তবুও বিশ্ব যে ফলাফলের অপেক্ষায় আছে অর্থাৎ হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করা—তা নিশ্চিত করার মতো ক্ষমতা তাদের নাও থাকতে পারে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ভোরের আকাশ/আ.র

মধ্যপ্রাচ্য সংকট

শেয়ার করুন: