শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিগগিরই ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাজ্যের ওষুধের মজুত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাজ্যে ব্যথানাশক থেকে ক্যানসারের ওষুধ পর্যন্ত নানা ধরনের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে পারে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা; একই সঙ্গে দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা। উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ তৈরি হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা মুডিসের কর্মকর্তা ডেভিড উইকস বলেন, বিশ্বের জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের বড় অংশ ভারত থেকে আসে, কিন্তু বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সরবরাহও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। লজিস্টিক খাতে বিঘ্ন ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান। দুবাই, দোহা ও আবুধাবির বিমানবন্দর আংশিক বন্ধ থাকায় আকাশপথে ওষুধ পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক কোম্পানি বিকল্প রুটে বা সমুদ্রপথে সরবরাহ শুরু করেছে, তবে এতে সময় ও খরচ দুটিই বেড়েছে। হরমুজ প্রণালিতে চাপ বাড়ায় সমুদ্রপথেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মেডিসিনস ইউকের প্রধান নির্বাহী মার্ক স্যামুয়েলস বলেন, পরিস্থিতি এখনো সংকটে না পৌঁছালেও ঝুঁকি বাড়ছে। সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মজুত থাকলেও সংঘাত দীর্ঘ হলে দ্রুত ঘাটতি দেখা দিতে পারে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় যেমন প্যারাসিটামলসহ সাধারণ ওষুধের সংকট দেখা গিয়েছিল, তেমন পরিস্থিতি আবারও তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যুক্তরাজ্যে ব্যবহৃত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ওষুধ আসে ভারত থেকে, বাকি অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল। সংঘাতের প্রভাবে পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। আকাশপথে পণ্য পরিবহনের খরচ প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় প্রস্তুতকারকেরা আপাতত বাড়তি চাপ সামলালেও ভবিষ্যতে বাজারে তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জিপি সেবা ও ফার্মেসিতে সরবরাহ করা ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ওষুধের দাম ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে সংঘাত কতদিন স্থায়ী হয় তার ওপর।

এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের খরচ বাড়িয়েছে, যা ওষুধ উৎপাদনের কাঁচামাল যেমন এপিআই, সিরিঞ্জ ও ভায়াল তৈরিতে প্রভাব ফেলছে। ফলে সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

ভোরের আকাশ/নি

যুক্তরাজ্যইরানহরমুজ প্রণালি

শেয়ার করুন: