শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সোফিয়াকে হত্যা করে সড়ক দুর্ঘটনার নাটক সাজান বাবা ও ভাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আহমেদাবাদে  তথাকথিত সম্মান রক্ষার নামে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২২ বছর বয়সী সোফিয়া ফারুক নামের এক তরুণীকে তার নিজের বাবা মোহাম্মদ ফারুক (৫৬) ও ভাই হাবিল ফারুক (৩৮) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেন এবং পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সড়ক দুর্ঘটনার নাটক সাজান।

সোফিয়া আহমেদাবাদের একটি হাসপাতালে অভ্যর্থনাকারী (রিসিপশনিস্ট) হিসেবে কাজ করতেন। প্রায় তিন মাস আগে এক যুবকের সঙ্গে তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে পরিবারের তথাকথিত সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে—এমন ক্ষোভ থেকে বাবা ও ভাই মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

গত ১২ আগস্ট রাতে সোফিয়াকে কাজ শেষে হাসপাতাল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি নিয়ে আসার পথে একটি নির্জন রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভাই হাবিল তার প্যান্টে লুকিয়ে রাখা হাতুড়ি দিয়ে সোফিয়ার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। সোফিয়া নিস্তেজ না হওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করেন।

সোফিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা তার মরদেহটি মূল সড়কের পাশে ফেলে রাখেন। এরপর মোটরসাইকেলটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেন এবং ভাই হাবিল নিজে কিছুটা আঘাত পাওয়ার নাটক করেন। তারা পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান যে, পেছন থেকে একটি অজ্ঞাত দ্রুতগামী যান তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে গেছে (হিট অ্যান্ড রান)। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পরদিন সোফিয়া মারা যান।

ঘটনার প্রায় এক মাস পর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ভাই হাবিলের জবানবন্দিতে নানা অসঙ্গতি খুঁজে পায়। পরবর্তীতে ওই রুটের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, হাবিল যে সময়ে দুর্ঘটনার দাবি করেছিলেন, সেই সময়ে সেখানে কোনো দুর্ঘটনাই ঘটেনি।

এরপর পুলিশি জেরার মুখে বাবা ও ছেলে তাদের অপরাধ স্বীকার করেন এবং পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

শেয়ার করুন: