শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তুরস্কজুড়ে বিশেষ অভিযানে ৫৬ সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৫, ৯:২৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
তুরস্কজুড়ে বিশেষ অভিযানে ৫৬ সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার 
তুরস্কজুড়ে বিশেষ অভিযানে ৫৬ সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার 

তুরস্কজুড়ে ফেতুল্লাহ গুলেনপন্থীদের বিরুদ্ধে চলমান দমন অভিযান আরও এক ধাপ এগিয়েছে। সর্বশেষ অভিযানে দেশটির ৩৬টি প্রদেশ থেকে সেনাবাহিনীর ৫৬ জন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার (২৩ মে) তুরস্কের সরকারি সংবাদমাধ্যম সাবাহ এ তথ্য জানায়।

ইস্তাম্বুল পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের সবাইকে ফেতুল্লাহ গুলেন পরিচালিত তথাকথিত সন্ত্রাসী সংগঠন 'ফেতুল্লাহ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী' (FETO)-র সক্রিয় সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন—৪ জন কর্নেল, ৮ জন লেফটেন্যান্ট কর্নেল, ১২ জন মেজর, ১৫ জন ক্যাপ্টেন এবং ২৪ জন নন-কমিশনড অফিসার।

সূত্র জানায়, গুলেনপন্থী সন্দেহে এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। তারা বিভিন্ন প্রদেশে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।

এক সময় প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ধর্মপ্রচারক ফেতুল্লাহ গুলেন ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর শীর্ষ রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হন। সেই অভ্যুত্থানে ২৫২ জন নিহত এবং প্রায় তিন হাজার মানুষ আহত হয়।

গুলেনের নেতৃত্বাধীন ‘হিজমেত আন্দোলন’ এক সময় প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করলেও, অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই সংগঠনটিকে চিহ্নিত করে কঠোরভাবে দমন শুরু করে এরদোয়ান সরকার।

তুরস্কের গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গুলেনের মৃত্যুর পর সংগঠনটিতে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিলেও, বিশ্বজুড়ে গুলেন-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছে আঙ্কারা।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: