শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭৫ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খরচ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ কোটি বা ৩৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।  

এর আগে যে খরচের প্রাক্কলন করা হয়েছিল, তার চেয়ে এই হিসাব প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেশি। পেন্টাগন জানিয়েছে, বর্তমান খরচের পাশাপাশি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্ভাব্য সামরিক ব্যয়ের হিসাবও এর মধ্যে যুক্ত করা হয়েছে, যদিও এই বিপুল খরচের বিশদ বিবরণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধ পরিচালনায় এই বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচের ফলে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। সিনেটের শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী সতর্ক বার্তা দিয়ে জানান, জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ পাওয়া না গেলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমিত বা সংকুচিত করতে হতে পারে। চলতি মাসের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর এই প্রথম পেন্টাগন প্রধান এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন কংগ্রেসের মুখোমুখি হয়ে দেশের সামরিক বাজেটের এমন বাস্তব চিত্র তুলে ধরলেন।

এদিকে দীর্ঘায়িত এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বড় ধরনের উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ইস্যুটি বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট দল ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং এর ফলে সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাবকে প্রধান হাতিয়ার করে তারা রাজপথ ও রাজনীতিতে সরব হচ্ছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে প্রতিদিন দু'পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যমতে, এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণের পর থেকে আরও একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া হামলায় প্রায় ৪৩০ জন সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে জুলাইয়ের শুরু থেকে আহত হওয়া ১০০ সেনার প্রায় ৯৬ শতাংশই চিকিৎসাশেষে আবার নিজ নিজ দায়িত্বে ফিরে গেছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

আরও পড়ুন

মোজতবা খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়ছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিতে পারে কারণ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় বড় ধরনের সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের জ্বালানি স্থাপনা, খাড়্গ দ্বীপের তেল টার্মিনাল এবং ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-কে লক্ষ্যবস্তু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই এই হামলা বাস্তবায়িত হয় এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় জ্যামিতিক হারে বাড়বে। একই সাথে এর নেতিবাচক প্রভাব মার্কিন অর্থনীতির গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকেও তীব্র ঝুঁকিতে ফেলে দেবে। সূত্র: রয়টার্স

ভোরের আকাশ/ইউএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধডলার

শেয়ার করুন: