শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দুই বোনের স্বামী বদল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ মে ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গ্বালিয়র বেঞ্চে এক ব্যতিক্রমধর্মী পারিবারিক মামলাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। দুই সহোদর বোন নিজেদের স্বামী অদলবদলের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।

ঘটনার সূত্রপাত একটি হেবিয়াস কর্পাস মামলার মাধ্যমে। দতিয়ার এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে তার ভায়রাভাই অপহরণ করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাজির করার নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে ‘অপহৃত’ নারী জানান, তিনি স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর সঙ্গে গেছেন এবং তার সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আরও বলেন, নিজের স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয় এবং ইতোমধ্যে তিনি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনও করেছেন।

অন্যদিকে, অপর বোনও আদালতে একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি জানান, তিনি নিজের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান না, বরং বোনের স্বামীর সঙ্গেই জীবন কাটাতে ইচ্ছুক। এই অবস্থায় দুই বোনই আদালতের কাছে স্বামী অদলবদলের অনুমতি চান।

আরও পড়ুন

ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত: রুবিও

সব পক্ষই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিচারপতি মন্তব্য করেন, এটি কোনো ফৌজদারি অপহরণের ঘটনা নয়, বরং একটি পারিবারিক বিরোধ। আদালত তাদের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেয় এবং শেষ পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

ভারতের মধ্যপ্রদেশ

শেয়ার করুন: