শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া সরকার সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে আরও একটি বড় এবং নতুন আইন করতে যাচ্ছে। ২০২৩-২০২৪ সালের দিকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি নিষিদ্ধ করে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলার পর, এবার ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় এবং বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর লাগাম টানতে নতুন 'ডিজিটাল ডিউটি অব কেয়ার' (Digital Duty of Care) বিলের খসড়া তৈরি করেছে দেশটির সরকার।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের প্রশাসনের প্রস্তাবিত ‘মাই ফিড, মাই ওয়ে’ নীতির আওতায় নতুন নিয়ম অনুযায়ী ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাটসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন গেমিং প্লাটফর্মকে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সি ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যালগরিদমভিত্তিক সুপারিশ ব্যবস্থা বন্ধ করার সুযোগ দিতে হবে।

এ অবস্থায় ব্যবহারকারীরা চাইলে এমন ফিড দেখতে পারবেন, যেখানে শুধু তারা যেসব অ্যাকাউন্ট, বন্ধু বা নির্মাতাকে অনুসরণ করেন, তাদের কনটেন্টই প্রদর্শিত হবে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে ব্যবহারকারীদের সক্রিয়ভাবে জানাতে হবে যে, তারা চাইলে ডিফল্ট অ্যালগরিদম ফিড পরিবর্তন করতে পারবেন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াম নয়, এআই চ্যাটবট ও অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোকেও এমন ডিজাইন এড়িয়ে চলতে হবে, যা বিশেষ করে তরুণ ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত আসক্ত করে তোলে।

নিয়ম ভঙ্গ করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এআই সেবা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে সর্বোচ্চ ১০৯ দশমিক ২ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার ( প্রায় ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানার মুখে পড়তে পারে।

অ্যালবানিজ বলেন, এটি সরকারের হাতে নিয়ন্ত্রণ করার বিষয় নয় বরং মানুষের হাতে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ। ব্যবহারকারীদের অনলাইনে নিজেদের পছন্দ নির্ধারণের স্বাধীনতা দেওয়া হবে এবং বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে আরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

বর্তমানে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে কিছু বিকল্প ফিড ব্যবস্থা থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার নতুন আইন ব্যবহারকারীর এ পছন্দকে বাধ্যতামূলক আইনি অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যখন শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, আসক্তি তৈরি করা ডিজাইন এবং অ্যালগরিদম কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে, তখন অস্ট্রেলিয়ার এ পদক্ষেপকে বিগ টেকের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন: