শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাশিয়া-ভারত রেলপ্রকল্পে নিরাপত্তার গ্যারান্টি আফগানিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া থেকে আফগানিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত প্রস্তাবিত রেলপথের নিরাপত্তায় শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়েছে আফগান তালেবান সরকার।

নতুন এই রেলপথ চালু হলে মস্কোর জন্য সরাসরি ভারত মহাসাগরে পৌঁছানোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আরটি (RT)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আফগানিস্তানের অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল রহমান হাবিব এই আশ্বাসের কথা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আফগানিস্তানের কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই প্রকল্প দেশটিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক গতি আনবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আফগান ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের সময় নিরাপত্তার কোনো অভাব হবে না। কাবুলের তালেবান সরকার এ ধরনের আন্তর্জাতিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পকে শুরু থেকেই ইতিবাচকভাবে পর্যবেক্ষণ ও সমর্থন করছে।

এই বিকল্প রেল সংযোগের মূল ধারণাটি সম্প্রতি উপস্থাপন করেন রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন। মূলত সমুদ্রপথের ঝুঁকি এবং হরমুজ প্রণালীর মতো স্পর্শকাতর এলাকার সামরিক ও রাজনৈতিক জটিলতা এড়াতেই বিকল্প এই ভাবনার সূচনা।

আরও পড়ুন

হোয়াইট হাউস কেন ছাড়ছেন ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন

মস্কো জানিয়েছে, তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারতের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী যেকোনো যুক্তিসঙ্গত রুট খতিয়ে দেখতে তারা প্রস্তুত। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে চারপাশ স্থলবেষ্টিত আফগানিস্তানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রাজস্ব আয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত মিত্রতা রয়েছে, যেখানে ভারত রাশিয়ার তেল ক্রয়ের অন্যতম প্রধান অংশীদার। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে লক্ষ্য দুই দেশ নির্ধারণ করেছে, তা অর্জনে এই সুরক্ষিত রেল নেটওয়ার্ক বড় ভূমিকা রাখবে। তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আরটি (RT)

ভোরের আকাশ/এম

রাশিয়া-ভারত রেলপ্রকল্প

শেয়ার করুন: