শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডে নববর্ষের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে নববর্ষের উৎসবের প্রথম চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫৪ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন সাত শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে রাজধানী ব্যাংককেই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৪) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে দেশটির রোড সেইফটি অপারেশন সেন্টারের কর্মকর্তারা। তারা জানান, ৭৫৫টি দুর্ঘটনায় ১৫৪ জন নিহত ও ৭০৫ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতিকে দায়ী করা হয়েছে, যা মোট ঘটনার প্রায় ৪২ শতাংশ। এছাড়া মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কারণে প্রায় ২৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে। মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট।

কর্মকর্তারা আরও জানান, বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে এবং বেশিরভাগই সোজা সড়কে সংঘটিত হয়। ১৩ এপ্রিলের দুর্ঘটনাগুলোর বড় অংশ চাম্ফোন ও চিয়াং রাই অঞ্চলে ঘটেছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় থাই রয়্যাল পুলিশ পর্যটন এলাকা ও উৎসবস্থলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। কয়েকশ পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি নানা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে ওয়াটার-প্লে জোনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ‘ফ্যামিলি ডে’ উপলক্ষে কঠোর তল্লাশি, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, শিশুদের কাছে অ্যালকোহল বিক্রি বন্ধে নজরদারি এবং কমিউনিটি চেকপয়েন্ট স্থাপন।

এছাড়া ভিড় নিয়ন্ত্রণে চেকপোস্ট স্থাপন ও ড্রোন ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। রাজধানী ব্যাংকক-এর খাও সান সড়কে এবারও প্রায় এক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে ৬০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সংক্র্যান থাইল্যান্ডের অন্যতম প্রধান নববর্ষ উৎসব, যা প্রতিবছর ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় এবং এতে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক অংশ নেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

থাইল্যান্ড

শেয়ার করুন: