শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপাবলিকান সেনেটরের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের তুমুল বাগবিতণ্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজের রিপাবলিকান দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

এই বৈঠকের পরপরই যুদ্ধের খরচ মেটাতে কংগ্রেসের কাছে আরও কয়েক হাজার কোটি ডলার দাবি করেছে তার প্রশাসন।

রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ওয়াশিংটনে এই উত্তপ্ত বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে।

বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য জানান, সেনেটর বিল ক্যাসিডির সঙ্গে ট্রাম্পের তীব্র চেঁচামেচি ও বাগবিতণ্ডা হয়।

ক্যাসিডি বলেন, গত সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প যে রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন। কারণ এই চুক্তিতে ইরানকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

ক্যাসিডি সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের যা জানানো হচ্ছে, মার্কিন জনগণের তার চেয়ে বেশি কিছু জানা দরকার। আমাদের যা বলা হয়েছিল, যুদ্ধ যেভাবে চলার কথা, পরিস্থিতি সেভাবে চলছে বলে মনে হচ্ছে না।"

পরবর্তীতে প্রেসিডেন্টকে সন্তুষ্ট করার প্রচেষ্টায় রিপাবলিকান সেনেট নেতারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের একটি প্রস্তাব আটকে দিতে গভীর রাতে ভোটাভুটির আয়োজন করেন। মে মাসে পাস হওয়া যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত ওই প্রস্তাবটি ৫০-৪৭ ভোটে আটকে দেয় সেনেট।

ভোটের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, “এই ভোট ইরানকে সতর্ক বার্তা দিল।” তবে এই ভোট আগের সিদ্ধান্তের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

আগামী নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে এই যুদ্ধ ট্রাম্পের ওপর বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে আর মাত্র ২৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন এই যুদ্ধের পেছনে হওয়া ব্যয় যুক্তিযুক্ত ছিল।

এই উত্তপ্ত বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে যুদ্ধের খরচ বাবদ অতিরিক্ত ৭ হাজার কোটি ডলার দাবি করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ৮৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সামরিক বাজেটকে আরও বাড়িয়ে দেবে।

বুধবার রাতের ভোটাভুটিতে ক্যাসিডি প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে কেনটাকির রিপাবলিকান সেনেটর র‌্যান্ড পল ভোটদানে বিরত থাকেন।

মেইন প্রদেশের সুসান কলিন্স এবং আলাস্কার লিসা মুরকোভস্কি নামের দুই রিপাবলিকান সেনেটর ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেন। পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট, যিনি প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন। মিচ ম্যাককনেল এবং মাইকেল বেনেট ভোট দেননি।

পরবর্তীতে বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে ক্যাসিডি জানান, বিকেলে ইরান ইস্যুতে বিস্তারিত ব্রিফিংয়ের জন্য তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউজের এই দ্রুত সাড়া দেওয়াকে তিনি স্বাগত জানান।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রাথমিক চুক্তির পর হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে ইরানের অবরোধ উঠে যাওয়ায় তেলের দাম যুদ্ধপূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে তেহরানের নির্ধারিত রুট মেনে চলার জন্য সতর্ক করেছে। ইরানকে না জানিয়ে ওমানের তৈরি করা নতুন নৌপথকে তারা ‘অগ্রহণযোগ্য ও বিপজ্জনক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

আইআরজিসি সামুদ্রিক চ্যানেল ১৬-এর মাধ্যমে তাদের নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে জাহাজগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে এবং নিয়ম লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের আগে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিবাহিত হতো।

ভোরের আকাশ/এনএস

ইরান যুদ্ধরিপাবলিকান

শেয়ার করুন: