শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের খ্রিস্টান অধ্যুষিত একটি শহরে বিদ্যুৎ, পানি এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। ইসরায়েলের ধরনের পদক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে অঞ্চলে। খবর প্রেস টিভির

রোববার (২৬ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননের দেবেল শহরের বিভিন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। এর ফলে শহরের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু বিদ্যুৎ ও পানি নয়, শহরের ঘরবাড়ি, সড়ক এবং জলপাই বাগানেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

দেবেল শহরটি এর আগেও একাধিকবার ইসরায়েলি অভিযানের শিকার হয়েছে। সম্প্রতি এক ইসরায়েলি সেনার যিশুর একটি মূর্তি ভাঙার ভিডিও প্রকাশ পাওয়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। গত ১৬ এপ্রিল কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল তা ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে বেসামরিক স্থাপনা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ কাজে খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন প্রকৌশল সরঞ্জাম আনা হয়েছে এবং ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি এলাকায় কত ভবন ধ্বংস করা হচ্ছে, তার হিসাবও ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

গত মাসে ইসরায়েলের সামরিকবিষয়ক মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, সীমান্তবর্তী লেবাননের গ্রামগুলোর সব বাড়ি গাজার মডেল অনুসারে ধ্বংস করা হবে। তিনি আরও বলেন, অভিযানের পর লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

লেবাননের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে মার্চের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন নিহত, ৭ হাজার ৫০০ জনের বেশি আহত এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ভোরের আকাশ/সু.পা

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধ

শেয়ার করুন: