শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘বিমান জ্বালানির সংকটে প্রথম ধাক্কা খাবে এশিয়া’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলের জ্বালানি সংকট ধীরে ধীরে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। তবে এই পরিস্থিতি মহামারির সময়ের মতো বড় আকার ধারণ করেনি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন খাতের শীর্ষ কর্মকর্তা উইলি ওয়ালশ। তার মতে, ভ্রমণের চাহিদা এখনও বেশ শক্ত অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন ব্যস্ত সময়ে জ্বালানির সম্ভাব্য ঘাটতি। এ নিয়ে উইলি ওয়ালশ জানান, এই সময়টাতে সাধারণত ভ্রমণ বাড়ে, ফলে জ্বালানির চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

তার মতে, এই সংকটের প্রভাব প্রথমে এশিয়ায় দেখা যাবে। এরপর ধীরে ধীরে ইউরোপ, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। অর্থাৎ, জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি হলে বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচল ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানির দামের বড় ধরনের বৃদ্ধির চাপ বিমান সংস্থাগুলোর পক্ষে নিজেরা বহন করা সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব যাত্রীদের ওপরই পড়বে। ভাড়ার দাম বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের ভ্রমণ খরচ আরও বাড়িয়ে দেবে।

এ ছাড়া কিছু অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে এশিয়া ও ইউরোপে জ্বালানি বণ্টনে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলে কিছু ফ্লাইট বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

আরও পড়ুন

জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মেনে চলতে ইরান বাধ্য নয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে বিমান চলাচলের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে। এতে শুধু যাত্রীই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনেও প্রভাব পড়বে।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলেও সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে। জ্বালানির সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপরই আগামী দিনের বিমান চলাচল অনেকটাই নির্ভর করবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

এশিয়াসংকটবিমান জ্বালানি

শেয়ার করুন: