শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৫, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে শুক্রবার ভোররাতে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি ও কয়েকটি সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রাত ২টা ৫২ মিনিটে অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল বেনগকুলু প্রদেশের উপকূল থেকে ভূপৃষ্ঠের ৬৮ কিলোমিটার গভীরে। তবে ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল ৮৪ কিলোমিটার গভীরে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে সুনামির আশঙ্কা নেই।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) মুখপাত্র আব্দুল মুহারী জানান, বেনগকুলু শহরের শতাধিক ঘরবাড়ি এবং অন্তত ছয়টি সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় জেলার দুটি বাড়ি আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের সময় অনেক মানুষ ঘুম থেকে উঠে আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে বাইরে চলে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা এরিক চাতুর নুগ্রোহো সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, “ভূমিকম্পের সময় জানালাগুলো ভয়ংকরভাবে কাঁপছিল। আমরা বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে ছুটে যাই।”

দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল ‘রিং অফ ফায়ার’-এ অবস্থান করায় প্রায়শই বড় ধরনের ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মুখোমুখি হয়। এর আগেও দেশটিতে ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটেছে। ২০২১ সালে সুলাওয়েসি দ্বীপে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। ২০১৮ সালে পালু শহরে সাড়ে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রাণ হারান ২ হাজার ২০০ জনের বেশি। আর ২০০৪ সালের ভয়াবহ সুনামিতে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই প্রাণ হারান ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: