লেবাননে সংঘর্ষে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে দুই ইসরায়েলি রিজার্ভ সেনা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) লেবাননে সম্মুখযুদ্ধে তাদের দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হন। এ বিষয়ে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘর্ষ চলাকালে তারা প্রাণ হারান।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ওই ঘটনায় আরও চার সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, লেবাননের মাজদাল জৌন শহরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই সেনারা হতাহত হন। এরপর দক্ষিণ লেবাননজুড়ে ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে, যাতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর মজুত কমে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যুদ্ধপূর্ব মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার করেছে।
এর আগে সিএনএনের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের শুরুতে গত এপ্রিলে মার্কিন সামরিক বাহিনী টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবহার করেছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি একাধিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের এই ঘাটতিই অন্যতম কারণ ছিল, যার ভিত্তিতে উপদেষ্টারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন।
তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের কারণেই ট্রাম্প ওই হামলা স্থগিত করেছিলেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য পর্যাপ্তের চেয়েও বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে কী ধরনের পরিণতি হতে পারে, তা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ দেখিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের অস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সূত্র : এনডিটিভি
ভোরের আকাশ/সু.পা