শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৪২ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর মহড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতীয় নৌবাহিনীর আয়োজিত বহুজাতিক সামুদ্রিক মহড়া ‘মিলান ২০২৬’ বুধবার শেষ হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন এবং ২৯টি সামরিক উড়োজাহাজ অংশ নেয়। পাশাপাশি বন্ধুত্বপূর্ণ ১৮টি দেশের নৌবাহিনীর জাহাজ এতে অংশগ্রহণ করে।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

‘ক্যামারাডারি, কো-অপারেশন, কোলাবোরেশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেকে। এটি অনুষ্ঠিত হয় বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানায়, এবারের মিলান মহড়া অভূতপূর্ব পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

মহড়ায় ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নজরদারি উড়োজাহাজও অংশ নেয়। প্রথমে ‘হারবার ফেজ’-এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সেমিনার ও বিশেষজ্ঞদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তী ‘সি ফেজ’-এ উচ্চমাত্রার সামরিক অনুশীলন পরিচালিত হয়। এতে সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা, সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধকৌশল, সামুদ্রিক বাধা অভিযান, যোগাযোগ মহড়া এবং ক্রস-ডেক ফ্লাইং অপারেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল। লাইভ ফায়ারিং অনুশীলনে কামান ও অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নৌবাহিনী যৌথভাবে পরিকল্পনা করে বিভিন্ন মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করে।

ভারতের পক্ষ থেকে আইএনএস বিক্রান্ত ছাড়াও বিশাখাপত্তনম-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার, নীলগিরি-শ্রেণির প্রজেক্ট ফ্রিগেট এবং ডাইভিং সাপোর্ট ভেসেল আইএনএস নিস্তারসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ মহড়ায় অংশ নেয়।

ভোরের আকাশ/এনএস

নৌবাহিনীসামরিক মহড়াভারতীয় যুদ্ধজাহাজবঙ্গোপসাগরভারত

শেয়ার করুন: