শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ ভিসা বাতিলের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা সর্বোচ্চ ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধাপে ধাপে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটিই হবে এককভাবে সবচেয়ে বড় পরিসরের ভিসা বাতিলের ঘটনা। তবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হলে তা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এপি জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ নথি এবং সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার বক্তব্যের ভিত্তিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। নথি ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন—এমন ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ লাখকে এ উদ্যোগের আওতায় আনা হতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (ডিএইচএস) সমন্বিত উদ্যোগে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এপিকে বলেন, স্বল্পমেয়াদি দর্শনার্থী হিসেবে অ-অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা অনেক বিদেশি পরে আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং স্থায়ীভাবে দেশটিতে বসবাসের চেষ্টা করেন। এ ধরনের আবেদনকারীদের শনাক্ত করে তাদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে চাননি পিগট। তিনি জানান, প্রক্রিয়াটি চলমান থাকায় চূড়ান্ত সংখ্যা পরে জানা যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের জন্য বি-১ এবং পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চিকিৎসার মতো উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসা দেওয়া হয়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে বি-১ ও বি-২ ভিসা ইস্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে এসব ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কতজন আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিল করা হলেই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে—বিষয়টি এমন নয়। অনেক আবেদনকারীকে নতুন একটি অভিবাসন-সংক্রান্ত শ্রেণির আওতায় নেওয়া হতে পারে। তবে ভিসা বাতিল হলে তারা আর ব্যবসায়ী বা পর্যটক হিসেবে বি-১/বি-২ মর্যাদা ধরে রাখতে পারবেন না।

এদিকে বর্তমানে বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন না করা এবং ভ্রমণ শেষে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা চাওয়া হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা, বাড়তি যাচাই-বাছাই এবং ভিসা বন্ডসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালেও বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য বি-১/বি-২সহ নির্দিষ্ট ভিসা শ্রেণিতে বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।

আরও পড়ুন

ওমানের উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী ট্যাংকার

গত সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহার নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের মানুষ ভুয়া আশ্রয় আবেদনে অতিষ্ঠ এবং অভিবাসন আইনের ফাঁকফোকর হিসেবে আশ্রয়ের আবেদনকে ব্যবহার করা উচিত নয়।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অস্থায়ী ভিসায় প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশিদের ওপর নজরদারি ও অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোরতার ইঙ্গিত মিলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র : এপি

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: