শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের ১৫ শতাংশ শুল্ক নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিভ্রান্তি, কবে হচ্ছে কার্যকর?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত নতুন ১৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে কি না তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। স্পষ্ট নয়, ইতিমধ্যে যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি করেছে, তাদের ওপর নতুন হার প্রযোজ্য হবে কি না।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য–এর ব্যবসায়িক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ব্রিটিশ চেম্বারস অব কমার্সের নতুন সভাপতি অ্যান্ডি হ্যালডেন বিবিসিকে জানান, যদি সরকার কোনো ভিন্ন নির্দেশ না দেয়, তবে আগামীকাল থেকে ১৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হতে পারে। তার মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের শুল্ক হার ১০ শতাংশ। ট্রাম্প যদি প্রতিশ্রুত মতো নতুন হার প্রবর্তন করেন, তবে সপ্তাহান্তে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাজ্যও গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রভাবিত হবে।

এদিকে জার্মান ব্যবসায়ী সংগঠন বিডিআই ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুল্ক ও বাণিজ্যবিধি নিয়ে স্পষ্টতা আনার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি পিটার লিবিঙ্গার বলেন, এসব সিদ্ধান্ত আটলান্টিকপাড়ের বাণিজ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। উভয় পক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ চায়। সংলাপের মাধ্যমেই স্বচ্ছতা ও আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকেরা শুল্কনীতির এই জটিলতাকে ‘অগোছালো পরিস্থিতি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। তাদের মতে, স্পষ্ট নীতিমালা ছাড়া বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল হতে পারে এবং ট্রান্সআটলান্টিক বাণিজ্য প্রবাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যে শুল্কচুক্তি চূড়ান্ত করেছে, সেগুলো থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে নতুন ১৫ শতাংশ শুল্ক পূর্বঘোষিত চুক্তির ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না আসায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অঙ্গনে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুল্কহার বৃদ্ধি কার্যকর হলে তা কেবল রপ্তানি–আমদানির ব্যয় বাড়াবে না, বরং সরবরাহ শৃঙ্খল ও মূল্যস্ফীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের মধ্যে দ্রুত নীতিগত স্পষ্টতা জরুরি হয়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ভোরের আকাশ/এনএস

শুল্কডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: