ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ আদালতের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালত তাকে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে স্থানান্তর করে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একটি পিটিশনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে ইমরান খানকে প্রতি সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালত ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। ওই বোর্ডে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তার বোন ডা. উজমা খানকে রাখার কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে ইমরান খানের আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যদের তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইমরান খান প্রায় তিন বছর ধরে আদিয়ালা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে কারাগারের সুপার গতকাল সুপ্রিম কোর্টে ইমরানের স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কারা কর্তৃপক্ষ ইমরান খান ও তার স্ত্রীকে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। কারাগারের মেডিকেল কর্মকর্তারা দিনে তিনবার ইমরানের স্বাস্থ্য ও খাবার পরীক্ষা করেন। এ সময় তার রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন ও রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়মিত রেকর্ড করা হয়।
তবে গত ১ আগস্ট ডা. আক্তার আলী বান্দেশাহর করা স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ইমরানের অনিয়ন্ত্রিত ও ওঠানামা করা রক্তচাপের বিষয়টি উঠে আসে। এ ছাড়া তার বুক ধড়ফড়, মাথাব্যথা ও অস্থিরতার মতো উপসর্গ রয়েছে বলেও পরীক্ষায় উল্লেখ করা হয়। চিকিৎসকের কাছে ইমরান খান অভিযোগ করেন, স্ত্রীকে নিয়মিত দেখা করতে না দেওয়া, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না থাকা এবং টেলিভিশন ও সংবাদপত্র না দেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে সমস্যায় ভুগছেন। সূত্র: দ্য ডন
ভোরের আকাশ/সু.পা