শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কলম্বিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আমেরিকান দেশ পেরুর সীমান্তবর্তী অ্যামাজন অঞ্চলে কলম্বিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় বিমানে মোট ১২১ জন আরোহী ছিলেন, যাদের বেশিরভাগই সেনাসদস্য।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের তৈরি হারকিউলিস সি-১৩০ মডেলের বিমানটি পুয়ের্তো লেগুইসামো এলাকা থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়। পেরু সীমান্তঘেঁষা আমাজন অঞ্চলে সেনা পরিবহনের কাজে বিমানটি ব্যবহার করা হচ্ছিল।

দুর্ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, বিধ্বস্ত স্থানে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে এবং সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

কলম্বিয়া বিমানবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অন্তত ৭৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন; কেউ মোটরসাইকেলে করে আহতদের সরিয়ে নেন, আবার কেউ আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।

কলম্বিয়া বিমানবাহিনীর প্রধান কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা বলেন, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উড্ডয়নের সময় কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিমানবন্দর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে বিধ্বস্ত হয়।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি একে “ভয়াবহ দুর্ঘটনা” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সামরিক বিমান বহর আধুনিকায়নের চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চললেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা ব্যাহত হয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ প্রশাসনিক বা সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এটি কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার ফল নয় বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত রাজধানী বোগোতাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, হারকিউলিস সি-১৩০ বিমান প্রথম চালু হয় ১৯৫০-এর দশকে এবং কলম্বিয়া ১৯৬০-এর দশকে এই মডেলের বিমান সংগ্রহ করে। দেশটির দীর্ঘস্থায়ী অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সেনা পরিবহনে এই বিমানগুলো নিয়মিত ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে প্রতিবেশী দেশ বলিভিয়াতেও একই মডেলের একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ জনের বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ভোরের আকাশ/নি

কলম্বিয়াসামরিক বিমান বিধ্বস্ত

শেয়ার করুন: