শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি, সেনেটে ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা বিল ঠেকালেন ডেমোক্র্যাটরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে ১ দশমিক ১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের (১ লাখ ১৫ হাজার কোটি ডলার) বার্ষিক প্রতিরক্ষা নীতিমালা বিল ঠেকিয়ে দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক দলের আইনপ্রণেতারা।

তাদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ না করেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পাঠিয়েছেন।

সেনেটে এক বক্তব্যে না ভোট দেওয়ার কথা জানিয়ে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেন, “ট্রাম্প কোনও অনুমোদন, কোনও কৌশল ছাড়া এবং যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই এই যুদ্ধ শুরু করেছেন।”

মঙ্গলবার ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স অথোরাইজেশন অ্যাক্ট’ (এনডিএএ) শীর্ষক এই বিলের পক্ষে ৫০ এবং বিপক্ষে ৪৬ ভোট পড়লেও ১০০ সদস্যের সেনেটে পরবর্তী ধাপে যেতে প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট না হওয়ায় এ বিল মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ভোটে মূলত দলীয় অবস্থানই প্রতিফলিত হয়ছে। রিপাবলিকানদের মধ্যে কেবল সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন বিলটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখতে নিয়ম অনুযায়ী 'না' ভোট দেন। বাকি সব রিপাবলিকান বিলটির পক্ষে ভোট দেন।

গত মাসে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে বিলটি বিবেচনাধীনে থাকার সময় ডেমোক্র্যাট সদস্যদের ৯ জনই এর বিরোধিতা করেছিলেন। যদিও এনডিএএ সাধারণত দুই দলের সমর্থনেই পাস হয়ে থাকে।

ডেমোক্র্যাটদের উদ্বেগের জায়গটি হল, এত বড় একটি প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন দেওয়া হলে সেটিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে কংগ্রেসের সমর্থন হিসেবেই দেখা হবে।

বিল নিয়ে ভোটটি এমন সময় হল, যখন উত্তেজনা আবার বেড়েছে এবং ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে হামলা শুরুর মাঝে ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা ইরানের সব বন্দরের ওপর আবার নৌ অবরোধ কার্যকর করেছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে আপত্তি ছাড়াও ডেমোক্র্যাটরা আরও অভিযোগ করেছে যে, সাধারণ মার্কিনিদের জন্য সামাজিক কর্মসূচিতে ব্যয় কমানোর মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন মোট সামরিক ব্যয় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চাইছে।

এনডিএএ’র জন্য ওই তহবিল নির্ধারণের পাশাপাশি ট্রাম্প বাজেট সমন্বয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও ৩৫ হাজার ডলার অনুমোদনের জন্য কংগ্রেসের কাছে আবেদন করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছাড়াই তহবিল পাস করানো সম্ভব।

বিলটিকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে সেনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, “এই বিল আমাদের সামরিক বাহিনীকে আজ এবং আগামী দিনের জন্যও প্রস্তুত করে রাখার নিশ্চয়তা দিতে সহায়ক হবে।”

এ বছরের এনডিএএ-তে নজিরবিহীন ১ লাখ ১৫ হাজার কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কতটি যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনা হবে সেটি নির্দিষ্ট করার পাশাপাশি সেনাদের বেতন বাড়ানো এবং বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক হুমকি মোকাবিলার নীতিমালাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর আইন হিসেবে পাস হওয়ায় এনডিএএ-কে যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহাসিকভাবে 'অবশ্য পাসযোগ্য' আইন হিসেবেই দেখে আসছে দুই দল। এটি সবসময় পাস হয়ে আসা কয়েকটি প্রধান বিলের অন্যতম।

আরও পড়ুন

সম্ভাবনার নোয়াখালী বিনির্মাণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

এবার বিলটি ধাক্কা খেল। তবে এই এক ধাক্কাতেই বিলটি পাসের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়নি। প্রতি বছর প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট নিজেদের পৃথক এনডিএএ বিলের সংস্করণ পাস করার পর আর্মড সার্ভিসেস কমিটির আলোচকদের সমঝোতার মাধ্যমে দুটো মিলে একটি চূড়ান্ত বিল তৈরি হয়।

এরপর সেটি দুই কক্ষে ভোটের জন্য তোলা হয়। এই পক্রিয়ায় উভয় কক্ষে বিলটি অনুমোদন পেলে তবেই তা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সই বা ভিটোর জন্য হোয়াইট হাউজে পাঠানো হবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

ট্রাম্প, প্রতিরক্ষা বিল ,ডেমোক্র্যাটইরান যুদ্ধপ্রতিরক্ষা বিল

শেয়ার করুন: