শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নেপালে বন্যায় ক্ষতি ২৫৬ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নেপালে গত সপ্তাহের আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় বসতবাড়ি, ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং জাতীয় অবকাঠামোসহ সব মিলিয়ে প্রায় ৩৮৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন নেপালি রুপি (যা মার্কিন ডলারে প্রায় ২৫৬ কোটি ডলার) মূল্যের ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্ম রাজ উপ্রেতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই ভয়াবহ ক্ষতির হিসাব জানান।

সংস্থার প্রধান ধর্ম রাজ উপ্রেতি জানান, দুর্যোগ পরবর্তী প্রাথমিক ৪ মাসের মধ্যে জরুরি সড়ক মেরামত, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সুপেয় পানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে অন্তত ৫ কোটি ২৬ লাখ ডলারের প্রয়োজন হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও বিভাগের সহায়তায় প্রারম্ভিক এই হিসাব বের করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।

আরও পড়ুন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কসটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার

তিনি আরও জানান, বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে অন্তত ২০ হাজার ঘরবাড়ি নতুন করে তৈরি করতে হবে, যার মধ্যে কমপক্ষে ৭ হাজার ৫০০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে ত্রিসুলী নদীতে বরফ, কাদা ও পাথরের এক প্রচণ্ড পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। এই আকস্মিক প্লাবনে পুরো এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে ১ হাজার ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: