শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৬২ বছর পর অবসরে যাচ্ছে ভারতের মিগ-২১ যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৫, ৪:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
৬২ বছর পর অবসরে যাচ্ছে ভারতের মিগ-২১ যুদ্ধবিমান
৬২ বছর পর অবসরে যাচ্ছে ভারতের মিগ-২১ যুদ্ধবিমান

ভারতীয় আকাশ প্রতিরক্ষার দীর্ঘদিনের সঙ্গী, মিগ-২১ যুদ্ধবিমান অবশেষে অবসরে যাচ্ছে। ৬২ বছরের সেবা শেষে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বহরটি কার্যক্রম বন্ধ করবে ভারতের বিমান বাহিনী। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, চণ্ডীগড়ের একটি বিমানঘাঁটিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিগ-২১ বিসন যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানানো হবে। ১৯৬৩ সালে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যুক্ত হওয়া এই সোভিয়েত-নির্মিত সুপারসনিক যুদ্ধবিমান দীর্ঘ ছয় দশক ধরে ভারতের আকাশসীমায় নজরদারি ও প্রতিরক্ষা দায়িত্ব পালন করেছে।

বর্তমানে ‘প্যান্থারস’ নামে পরিচিত ২৩ নম্বর স্কোয়াড্রনের অধীনে রয়েছে মিগ-২১ বিসন। এটি ভারতের সামরিক ইতিহাসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছে— ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ, ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধ, ২০১৯ সালের বালাকোট বিমান হামলা ও সাম্প্রতিক ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ ভূমিকা রেখেছে এই যুদ্ধবিমান।

বিশেষ করে ২০১৯ সালের বালাকোট অভিযান ও পরবর্তী আকাশযুদ্ধে আলোচনায় আসে মিগ-২১। তৎকালীন উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান একটি মিগ-২১ চালিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তবে তার বিমান ভূপাতিত হয় এবং তিনি পাকিস্তানের হাতে বন্দি হন। পরে তাকে মুক্তি দেয় পাকিস্তান সরকার।

তবে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে মিগ-২১ এর কার্যকারিতা নিয়ে সম্প্রতি প্রশ্ন উঠেছে। বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার পর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও উঠে আসে আলোচনায়। এ কারণেই ধাপে ধাপে এই যুদ্ধবিমানকে সরিয়ে এনে তার জায়গায় যুক্ত করা হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হালকা যুদ্ধবিমান ‘তেজস এমকে-১এ’। এই রূপান্তর প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বলে জানায় একাধিক সূত্র।

দীর্ঘ ৬২ বছরের ঐতিহাসিক অবদান রেখে ভারতীয় আকাশসীমা থেকে বিদায় নিচ্ছে মিগ-২১, তবে তার ইতিহাস ভারতীয় সামরিক ইতিহাসে গর্ব ও সাহসের প্রতীক হয়ে থাকবে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: