শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের ১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ মার্চ ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়ে ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কুদস ফোর্সের মালিকানাধীন।

বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার (৭ মার্চ) রাতে তেহরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মেহরাবাদ বিমানবন্দরে এই বিশেষ অভিযান চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী (আইএএফ)। তবে এই হামলার বিষয়ে ইরান সরকার কিংবা আইআরজিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মেহরাবাদ বিমানবন্দরটি ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান রসদ ও সরঞ্জাম সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেই কুদস ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী যেমন হিজবুল্লাহ ও হামাসকে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করে থাকে। সেই গুরুত্ব বিবেচনা করেই ইসরায়েল এখানে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্যর্থ হয়। এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।

চলমান যুদ্ধের অষ্টম দিনে এখন পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য এখন ইরানের বিমানবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা। 

ভোরের আকাশ/আ.র

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ

শেয়ার করুন: