শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া যাচাইয়ে পোল্যান্ডে হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ওয়ারশর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও সীমিত পরিসরের স্থল অনুপ্রবেশ, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ড্রোন হামলা অথবা ভুয়া বিমান হামলার মহড়ার মতো পদক্ষেপের শঙ্কা থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের ধারণা মস্কো এসব ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে দাবি করতে পারে।

ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে রাশিয়া পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র 'উসকানিমূলক' হামলার পরিকল্পনা করছে বলে ওয়ারশকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ ধরনের হামলা চালানো হতে পারে।

ওয়াশিংটনের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে পোল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো কিংবা রুশ সেনাদের ন্যাটোভুক্ত পোল্যান্ডের সীমান্ত অতিক্রম করার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কির ঘনিষ্ঠ সূত্র দেশটির সংবাদমাধ্যম ওনেটকে জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই মস্কো এ ধরনের হামলা চালাতে পারে। এর উদ্দেশ্য হবে উত্তেজনা সৃষ্টি করা এবং ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্রদের ওপর সামরিক ও আর্থিক সহায়তা বন্ধের চাপ সৃষ্টি করা।

পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে পোল্যান্ডকে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার সম্ভাব্য প্রচলিত সামরিক হামলার নতুন নতুন পরিকল্পনার তথ্য জানিয়ে আসছে।

ওয়ারশর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও সীমিত পরিসরের স্থল অনুপ্রবেশ, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ড্রোন হামলা অথবা ভুয়া বিমান হামলার মহড়ার মতো পদক্ষেপের শঙ্কা থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের ধারণা, মস্কো এসব ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে দাবি করতে পারে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ড্রোন হামলা অথবা ভুয়া বিমান হামলার মহড়া চালিয়ে পোল্যান্ডকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করতে বাধ্য করার আশঙ্কাও রয়েছে।

পোল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় 'হাইব্রিড হামলা'ও হতে পারে।

সূত্রগুলোর মতে, রাশিয়া বা বেলারুশের সেনাদের সীমিত অনুপ্রবেশকে ভুলবশত ঘটে যাওয়া ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হতে পারে। যেমন—জিপিএস বিভ্রাটের কারণে সীমান্ত অতিক্রম করা বা যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়া একটি হেলিকপ্টার উদ্ধারের ভুয়া অভিযান চালানোর অজুহাত দেওয়া হতে পারে।

পোলিশ সূত্রগুলো ওনেটকে জানায়, মস্কোর আশা থাকতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পোল্যান্ড সামরিক জবাব না দিয়ে আলোচনায় বসবে।

সূত্রগুলোর দাবি, আলোচনার মাধ্যমে রুশ সেনারা ফিরে গেলে ভ্লাদিমির পুতিন সেটিকে মস্কোর জন্য বিজয় হিসেবে দেখবেন। পোল্যান্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইউক্রেনের প্রতি পশ্চিমাদের সমর্থন বন্ধের শর্তও দিতে পারেন পুতিন।

এদিকে দ্য টেলিগ্রাফকে বাল্টিক অঞ্চলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাল্টিক যে কোনো দেশে ধরনের উসকানিমূলক হামলার ঝুঁকি এখনও গুরুতর।

তাদের মতে, পোল্যান্ডের উত্তরে অবস্থিত রাশিয়ার বিচ্ছিন্ন অঞ্চল কালিনিনগ্রাদ থেকে এ ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। সেখানে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রও রয়েছে।

গত এক বছরে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান একাধিকবার ন্যাটোর আকাশসীমায় প্রবেশের মাধ্যমে মস্কো জোটটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করার চেষ্টা করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে বিদেশি পিস্তল ও ৪৩ রাউন্ড গুলিসহ তিনজন গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপে বেসামরিক বিমান চলাচলে বারবার বিঘ্ন সৃষ্টি করতে এবং সামরিক স্থাপনা পর্যবেক্ষণ ও ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করতে রাশিয়া সম্ভবত ছায়া জাহাজ ব্যবহার করে ড্রোন উড়িয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইউরোপজুড়ে সন্দেহজনক ১৪৪টি ড্রোন দেখা যাওয়ার ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ন্যাটো সদস্য জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য ও ডেনমার্কও রয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

পরিকল্পনাপোল্যান্ডে হামলারাশিয়া

শেয়ার করুন: