শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে চায়ের দোকানে বিমান হামলা, নিহত ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৮:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলের সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন শহরে সামরিক জান্তার বিমান হামলায় ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।  শুক্রবার সন্ধ্যায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এএফপিকে জানিয়েছেন।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জান্তা বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশটি গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যার ফলস্বরূপ ঘন ঘন বিমান হামলা এবং বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তাবাইন শহরে দুটি বোমা ফেলা হয়, যার মধ্যে একটি বোমা ব্যস্ত একটি চায়ের দোকানে আঘাত হানে। মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই চায়ের দোকানটি এবং কাছাকাছি প্রায় এক ডজন বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এই হামলায় মোট ১৮ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।

হামলার ১৫ মিনিট পর ঘটনাস্থলে পৌঁছানো এক উদ্ধারকর্মী নিশ্চিত করেন যে তাৎক্ষণিকভাবে সাতজন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বেঁচে যাওয়া এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বোমাটি আঘাত হানার সময় তিনি চায়ের দোকানে একটি বক্সিং ম্যাচ দেখছিলেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছিল "কান ফাটিয়ে দেওয়ার মতো" এবং বিমান উড়ে যাওয়ার শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

শনিবার নিহতদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়ে জান্তা বাহিনীর মুখপাত্রের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

বিমান হামলামিয়ানমার

শেয়ার করুন: