শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ুজনিত ৩ ঝুঁকিতে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশু: ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি শিশু জলবায়ুজনিত অন্তত তিনটি গুরুতর ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের এই ক্ষতিকর প্রভাব তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জানা যায়, সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বিশ্বের প্রায় ২৪০ কোটি শিশুর বসবাসের অঞ্চলের ওপর জলবায়ুর আটটি প্রধান প্রভাবের একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। এই আটটি প্রভাব হলো : উপকূলীয় বন্যা, নদীভিত্তিক বন্যা, খরা, ক্রান্তীয় ঝড়, তাপপ্রবাহ (দেশভেদে ভিন্ন, তবে অন্তত টানা তিন দিন উচ্চ তাপমাত্রা), চরম তাপমাত্রা, দাবানল ও বালুঝড়।

প্রতিবেদনে মূলত ১১০ কোটি শিশুর ওপর আলোকপাত করা হয়েছে, যারা একই সঙ্গে অন্তত তিনটি জলবায়ুজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন। বেশিরভাগ অঞ্চলে যে তিনটি সাধারণ ঝুঁকির মিল পাওয়া গেছে, সেগুলো হলো— খরা, চরম তাপমাত্রা (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে) এবং তীব্র তাপপ্রবাহ। এই তিনটির যৌথ প্রভাবে বিশ্বে প্রায় ২৯ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে নাইজেরিয়ার ৭ কোটি ৪০ লাখ, পাকিস্তানের ৩ কোটি ৪০ লাখ এবং ভারতের ৩ কোটি ২০ লাখ শিশু।

ইউনিসেফ জানায়, বিগত ২০ বছরে তিনটি বা তার বেশি ঝুঁকিতে থাকা শিশুর সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব শিশুই অন্তত একটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এছাড়া, ২০০ কোটি শিশু অন্তত দুটি এবং ৩৬ কোটি ৪০ লাখ শিশু অন্তত চারটি ঝুঁকির মুখোমুখি। এমনকি সাতটি বা তার বেশি জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে থাকা ১ লাখ ২৩ হাজার শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৬ হাজার শিশুই রয়েছে মায়ানমারে।

জলবায়ু সংকটকে শিশুদের অধিকারের সংকট হিসেবে উল্লেখ করে ইউনিসেফের প্রধান ক্যাথরিন রাসেল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ক্ষেত্রে শিশুরাই সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শিশুদের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি কোথায়—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক টম স্লেমেকার বলেন, ‘এর কোনো সংক্ষিপ্ত উত্তর নেই। তবে সব অঞ্চলের পরিস্থিতি সমান নয়। কিছু সুনির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আমরা দেখতে পেয়েছি, যেগুলো মূলত সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে বেশি কেন্দ্রীভূত।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তানের মতো যেসব দেশে শিশু জনসংখ্যা বেশি, সেসব দেশ অন্তত তিনটি ঝুঁকির মুখে থাকা মোট শিশুর সংখ্যার দিক থেকে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। তবে শতকরা হারের হিসাবে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক ক্ষেত্রে জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারের সীমিত সক্ষমতা এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।

উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। চরম মানবিক সংকটে থাকা দেশটিতে পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের প্রাপ্যতা অত্যন্ত সীমিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাদের ৯৫ শতাংশের বেশি শিশু অন্তত তিনটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপ জেতার আর তাড়া নেই মেসির

এছাড়া, বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে ৩৯টি দ্বীপরাষ্ট্র। এসব দেশের সামনে সীমিত মিঠাপানির উৎস, উচ্চ আমদানি নির্ভরতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগের পর সহজে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ না থাকার মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

 

ইউনিসেফ

শেয়ার করুন: