শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রিকস সম্মেলনের আগে পুতিন-মোদির বৈঠক; গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগের দিন, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি এবং প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো এই বৈঠকে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে।

বৈঠকের আগে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছিল, বৈঠকে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা এবং প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন পুতিন ও মোদি। পাশাপাশি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।  

১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আজ নয়াদিল্লিতে পৌঁছান পুতিন। আগামীকাল শনিবার ও পরদিন রোববার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ব্রিকস জোট বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতেই ভারত এবারের সম্মেলনের আয়োজন করছে।

এর আগে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছিলেন, রাশিয়া ও ভারত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত সংস্করণ তৈরির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়া ভারতের কাছে বাকি থাকা এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের কাজ সম্পন্ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি, ভারতকে এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে।

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে জ্বালানি সহযোগিতাও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। পাশাপাশি বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতেও আরো সহযোগিতার সুযোগ খুঁজছে রাশিয়া ও ভারত।

গত ৩১ আগস্ট বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে দুই নেতা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, মহাকাশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে মোদি জোর দিয়ে বলেছিলেন, সংঘাত সমাধানের পথ হওয়া উচিত সংলাপ ও কূটনীতি।

এবারের ব্রিকস সম্মেলনে জোটের ১১টি সদস্যদেশ অংশ নেবে। দেশগুলো হলো- ব্রাজিল, চীন, মিসর, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্যেই এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সংঘাত ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি করেছে, বিশেষ করে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে। সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

এই সম্মেলনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক বিষয়ে নিজেদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টাও গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বড় বড় ভূরাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে সদস্যদেশগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের মধ্যেও কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

শেয়ার করুন: