শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আলোচনার পথে বড় বাধা ট্রাম্পের অবরোধ ও হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, ইরান সবসময় সংলাপ ও সমঝোতার পক্ষে থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াদা ভঙ্গ, নৌ অবরোধ ও সামরিক হুমকি ‘প্রকৃত’ আলোচনার পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল)  এমন বার্তা দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে প্রেস টিভি।

ওই পোস্টে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান সবসময় সংলাপকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এখনও জানায়। তবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অবরোধ ও হুমকিই বাস্তব আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধক।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ও কার্যক্রমের মধ্যে বৈপরীত্য স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করেছে।

তেহরান দাবি করেছে, সামরিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও তারা এই যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে বলে অভিযোগ করা হয়, যা ইরানের মতে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য নতুন সামরিক পদক্ষেপের হুমকি এবং কূটনীতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, যেখানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হয়। পরে ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইরান।

১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কোনো সমঝোতা হয়নি। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।

ইরানের লিগাল মেডিসিন অর্গানাইজেশন সংস্থার তথ্য মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর হামলায় ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। তিনি বলেন, এখনো চারটি মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ভোরের আকাশ/আ.র

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ

শেয়ার করুন: