শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় বেসামরিকদের ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুন ২০২৫, ৭:১৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজায় বেসামরিকদের ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান
গাজায় বেসামরিকদের ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান

গাজা উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। একইসঙ্গে, সাম্প্রতিক ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছাকাছি সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলাগুলোর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে ফলকার টুর্ক বলেন, “গাজায় ক্ষুধার্ত মানুষের ওপর হামলা অকল্পনীয় এবং চরম অমানবিক। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং তা যুদ্ধাপরাধের আওতায় পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, টানা তিন দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থনে পরিচালিত খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। এ ঘটনার দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, এমন দাবি জানান তিনি।

ফলকার টুর্ক সতর্ক করে বলেন, “বর্তমানে ফিলিস্তিনিদের সামনে দুটি ভয়াবহ বিকল্প রাখা হয়েছে— হয় অনাহারে মারা যাওয়া, নয়তো সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রিত ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিতে প্রাণ হারানো।”

তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করা যুদ্ধাপরাধ হিসেবেও গণ্য হতে পারে।

বিবৃতির শেষাংশে হাইকমিশনার টুর্ক আরও বলেন, “ক্ষুধার হুমকি, বেসামরিক জনগণের দীর্ঘদিন ধরে হত্যাযজ্ঞ, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, বারবার জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, অবমাননাকর ভাষা এবং গাজাকে জনশূন্য করার হুমকি—এই পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।”

গাজায় চলমান সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাতিসংঘের এই মানবাধিকারপ্রধান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: