শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাথে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ীভাবে থাকা সেনা ও সামরিক স্থাপনার সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে ওয়াশিংটন। সিএনএনের সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অনানুষ্ঠানিক পর্যালোচনায় সেনা সংখ্যা কমানোর বিষয়টি উঠে এসেছে। পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিরোধে অবশিষ্ট ঘাঁটিগুলো আরও শক্তিশালী করার আলোচনাও চলছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে এই নতুন পদক্ষেপকে দীর্ঘ দুই দশক পর ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সেনা দলটির সহায়তায় দুটি বিমানবাহী রণতরি এবং ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে।

পেন্টাগনের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছর থেকেই আঞ্চলিক বাহিনীর কাঠামো পরিবর্তনের একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতি কমিয়ে এ অঞ্চলের সুরক্ষার দায়িত্ব মূলত স্থানীয় মিত্র দেশগুলোর হাতে তুলে দিতে চান পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটির বহু নিরাপত্তা ত্রুটি সামনে এসেছে। তাই পেন্টাগন এখন তাদের অবশিষ্ট সামরিক স্থাপনাগুলো সুরক্ষার স্বার্থে ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে।

সাম্প্রতিক আক্রমণে সৌদি আরবে সিআইএর একটি ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বাহরাইন, কাতার ও কুয়েতের বেশ কয়েকটি মার্কিন স্থাপনাও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের শিকার হয়।

অনেকগুলো বিধ্বস্ত ঘাঁটি পুনরায় তৈরি করা হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। মেরামত ব্যয় আকাশচুম্বী হওয়ায় অনেক ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘাঁটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

কানাডার দ্বিমুখী নীতিতে ইরানের তীব্র ক্ষোভ

তবে সেনা কমানোর কথা থাকলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের কূটনৈতিক সমঝোতা এখনো অনেক দূরে। সম্প্রতি জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরান।

নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ড্যারিল কডল স্পষ্ট করেছেন, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের দ্রুত ফেরার কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই। সূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ভোরের আকাশ/এম

শেয়ার করুন: