শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-কানাডার নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে ফ্রান্স ও কানাডার সঙ্গে একযোগে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এসব বসতিতে তৈরি পণ্যের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে দেশগুলো।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেন,পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারী সন্ত্রাসীরা জাতিগত নিধন চালাচ্ছে। ইসরায়েল সরকার তা দেখেও দেখছেনা বলে অভিযোগ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের পথে হেঁটে ফ্রান্স এবং কানাডাও পশ্চিম তীরে আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

মিলিব্যান্ড আরও ৯ টি দেশ- ডেনমার্ক, স্পেন, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড,পর্তুগাল এবং সুইডেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন।

বিবিসি জানায়, ১২ টি দেশই এক যৌথ বিবৃতিতে পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি অঞ্চলের পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সংকল্প ব্যক্ত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বিরাষ্ট্র সমাধান অক্ষুন্ন থাকতে হবে। তাছাড়া, পশ্চিম তীরে অবিলম্বে হুইদি বসতিস্থাপন বন্ধও করার জন্যও ইসরায়েল সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে এতে।

ইসরায়েলের অধিকৃত পশ্চিম তীরে এবছর ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের হামলা বেড়ে যাওয়া এবং ওই অঞ্চলে ইসরায়েল সরকারের ১২০০ নতুন বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার পর এই নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপ এল।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আজ আমরা নীরব দর্শক হয়ে থাকতে রাজি নই। আরও বেশি মানুষের কষ্ট-দুর্ভোগ এবং 'দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান' (ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুটি আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সহাবস্থান) পরিকল্পনা নস্যাৎ হওয়া আমরা চুপচাপ মেনে নেব না।”

ইসরায়েল এই দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের ঘোর বিরোধী। দুই ইসরায়েলি মন্ত্রী নিষেধাজ্ঞার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালের স্মোট্রিচ তেল আবিবে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ওদিকে, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির পূর্ব জেরুজালেমের ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহিুকে আহ্বান জানিয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রও ইসরায়েলে তাদের রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।

মিলিব্যান্ড জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, পশ্চিম তীরে (ইসরায়েলি) দখলদারিত্ব বেআইনি এবং লন্ডন বিশ্বাস করে যে, পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নিধন করা হচ্ছে।

মিলিব্যান্ড ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পশ্চিম তীরের বসতি এলাকা থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন, যুক্তরাজ্যের জনগণ চায় না আমাদের দোকানগুলোতে বসতি এলাকার পণ্য নেওয়ার মাধ্যমে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে সমর্থন করা হোক।

তিনি আরও বলেন, “যথাযথ ধর্মীয় ছাড় দিয়ে একটি সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা চালু করা হবে।" অবৈধ বসতি স্থাপনে সহায়তাকারীদের উদ্দেশে মিলিব্যান্ড বলেছেন, "আপনাদেরcj যুক্তরাজ্যের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে।"

মিলিব্যান্ড এমপিদের বলেন, যুক্তরাজ্য এ ব্যাপারে একমত যে, পশ্চিম তীরের এলাকাগুলোতে জাতিগত নির্মূল চলছে । তিনি বসতিস্থাপনকারী সন্ত্রাসী'দের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করার অভিযোগ করেন এবং বলেন, ইসরায়েল সরকার এ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে।

আরও পড়ুন

সৌরবিদ্যুতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা তৈরি সম্ভব হবে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের সরকারি দৃষ্টিকোণ থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব অবৈধ বলে মিলিব্যান্ড উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থার লক্ষ্য গোটা ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং এই ব্যবস্থা ফিলিস্তিনি জমিতে তৈরি করা অবৈধ বসতি এবং সেগুলোর বিস্তার বাড়ানোর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

শেয়ার করুন: