শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মক্কায় হজ গ্রাম নির্মাণ করবে ইন্দোনেশিয়া, থাকবে আবাসন ও বাণিজ্যিক এলাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ আগস্ট ২০২৫, ৩:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মক্কায় হজ গ্রাম নির্মাণ করবে ইন্দোনেশিয়া, থাকবে আবাসন ও বাণিজ্যিক এলাকা
মক্কায় হজ গ্রাম নির্মাণ করবে ইন্দোনেশিয়া, থাকবে আবাসন ও বাণিজ্যিক এলাকা

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় হজযাত্রীদের জন্য বিশেষ হজ গ্রাম নির্মাণের পরিকল্পনা করছে ইন্দোনেশিয়া। এই লক্ষ্যে দেশটি ইতোমধ্যে জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোবো সুবিয়ান্তোর সঙ্গে এক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন দেশটির বিনিয়োগমন্ত্রী রোজান রোজলানি। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনার সময় প্রেসিডেন্ট প্রাবোবো এই হজ গ্রাম নির্মাণের প্রস্তাব দেন, যা ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

বিনিয়োগমন্ত্রীর বরাতে জানা গেছে, মক্কার রয়্যাল কমিশন হজ গ্রাম নির্মাণের জন্য আটটি সম্ভাব্য প্লটের কথা জানিয়েছে। এই প্লটগুলো মক্কার আশপাশে অবস্থিত এবং পাহাড়ি ও সমতল—দুই ধরনের জায়গা রয়েছে। জমিগুলোর আয়তন ২৫ থেকে ৮০ হেক্টরের মধ্যে।

এ ছাড়া যেসব স্থানে বর্তমানে বসতি রয়েছে, সেগুলো উচ্ছেদের কাজ সৌদি সরকারই করবে। ইন্দোনেশিয়া শুধু জমি কিনে সেখানে হজ গ্রাম নির্মাণ করবে।

হজ গ্রামে ইন্দোনেশিয়ান হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি গড়ে তোলা হবে একটি বাণিজ্যিক এলাকা, যা যাত্রীদের সেবা দেবে এবং স্থানীয়ভাবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে গতিশীল করবে।

গ্রামটি তৈরি হলে ইন্দোনেশিয়ার হজ ও ওমরাহযাত্রীরা সেখানে অবস্থান করতে পারবেন, ফলে তাদের হজ পালনের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব সম্প্রতি বিদেশিদের জন্য জমি ও আবাসন কেনাবেচার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। তবে মক্কা ও মদিনার ক্ষেত্রে এখনও কিছু বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: অন্তরা

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: