শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানে বন্যা ও ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৫, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাকিস্তানে বন্যা ও ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০
পাকিস্তানে বন্যা ও ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) রাতে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রাণহানির সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রদেশে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এসব মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশে। সেখানে ২৬ জুন থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের, আহত হয়েছেন ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও দুইজন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩১ জন, আহত হয়েছেন ৫১ জন।

বেলুচিস্তান প্রদেশে শনিবার মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের, মোট প্রাণহানি ১৬। সিন্ধু প্রদেশে ১৭ জনের মৃত্যু এবং ৩৭ জন আহত হয়েছেন। আজাদ জম্মু ও কাশ্মিরেও একজনের মৃত্যু এবং পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, NDMA এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বহু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকা এখনো পানির নিচে এবং মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় জরুরি উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানে বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যা একটি সাধারণ ঘটনা। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই দুর্যোগ এখন আরও অনিয়মিত ও বিধ্বংসী হয়ে উঠছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে দেশটি।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: