তেলের বাজারে সংকট, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইইউ

বিশ্বের তেলের বাজার পরিস্থিতি ও ‘জরুরি মজুত’ রাখা তেল মার্কেটে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা করছে ইউরোপীয় কমিশন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর অবস্থান সমন্বয় করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র আনা-কাইসা ইটকোনেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে ইইউর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কমিশন ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গেও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এ নিয়ে অনেক ফোনকল ও বৈঠক চলছে।’
শুক্রবার (২ অক্টোবর) আইইএ- এর গভর্নিং বোর্ডের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় মজুত রাখা তেল থেকে সমন্বিতভাবে তেল বাজারে ছাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে ইইউ সদস্য দেশগুলোর অবস্থান সমন্বয় করছে ইউরোপীয় কমিশন।
ইটকোনেন স্পষ্ট করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে জরুরি তেলের মজুত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ইউরোপীয় কমিশনের দায়িত্ব নয়। আইইএতে ইইউ সদস্য দেশগুলোর অবস্থান সমন্বয় করাই কমিশনের ভূমিকা।’
বর্তমান পরিস্থিতিকে জ্বালানি সরবরাহ সংকট হিসেবে দেখছে না ইউরোপীয় কমিশন। বরং এটিকে বৈশ্বিক জ্বালানির দামের সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইটকোনেন। তিনি বলেন, ‘আপাতত সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই মুহূর্তে ডিজেল বা গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট ঘাটতিও নেই।’
তবে জ্বালানির দামের ওপর বর্তমান চাপকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে দেখছে কমিশন। বিশেষ করে তেলের বাজার তুলনামূলকভাবে কম নিয়ন্ত্রিত এবং এটি একটি বৈশ্বিক বাজার হওয়ায় সেখানে পরিস্থিতির প্রভাব ব্যাপক হতে পারে বলে জানান তিনি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ভোরের আকাশ/এনএস