শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

“জাতিসংঘের বেশিরভাগ রিপোর্ট কেউ পড়ে না”: মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ আগস্ট ২০২৫, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
“জাতিসংঘের বেশিরভাগ রিপোর্ট কেউ পড়ে না”: মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস
“জাতিসংঘের বেশিরভাগ রিপোর্ট কেউ পড়ে না”: মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস

জাতিসংঘের তৈরি করা হাজার হাজার প্রতিবেদন মূলত পাঠকহীনই থেকে যাচ্ছে—এমন বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনের আলোকে শুক্রবার সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সতর্ক করে দেন তিনি।

গুতেরেস জানান, জাতিসংঘের বয়স ২০২৫ সালে ৮০ বছর পূর্ণ হলেও, বিগত সাত বছর ধরে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর চাঁদা বকেয়া থাকায় সংস্থাটি তীব্র তারল্য সংকটে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে খরচ কমাতে এবং কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে গত মার্চে ‘ইউএন৮০ টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, শুধু গত বছরই জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৭ হাজার সভা। এতে অংশ নেয় ২৪০টি সংস্থা ও কমিটি। এ সময় তৈরি হয়েছে ১ হাজার ১০০টি প্রতিবেদন, যা ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি।

মহাসচিব বলেন, “এই বিশাল পরিমাণ সভা ও প্রতিবেদনের চাপে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী কার্যত ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা সবাই এক ধরনের ‘চূড়ান্ত ক্লান্তি’-র মধ্যে পড়েছি।”

তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “এসব প্রতিবেদনের বেশিরভাগই কেউ পড়ে না। মাত্র পাঁচ শতাংশ রিপোর্ট ৫,৫০০ বারের বেশি ডাউনলোড হয়েছে। প্রতি পাঁচটির একটির ডাউনলোড সংখ্যাও এক হাজারের নিচে। অথচ ডাউনলোড হওয়াও মানে এই নয় যে কেউ তা পড়েছে।”

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার ‘ম্যান্ডেট’ (কাজের নির্দেশনা) আসে, যার ভিত্তিতে সভা ও রিপোর্টের চাপ বেড়েই চলেছে।

চলমান অর্থসংকট প্রসঙ্গে গুতেরেস বলেন, “১৯৩টি সদস্য দেশের অনেকেই সময়মতো চাঁদা দেয় না। ফলে বাজেট ঘাটতি তৈরি হয়, এবং কার্যক্রম ব্যাহত হয়।”

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে মহাসচিবের সুপারিশ হলো—সভা ও রিপোর্টের সংখ্যা কমাতে হবে। তবে যেসব রিপোর্ট তৈরি হবে, সেগুলো যেন সত্যিকারের ম্যান্ডেট পূরণে সক্ষম হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: