শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে : জার্মানির প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:১১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন।

তিনি বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে যেনো ‘লুটেদের আস্তানায়’ পরিণত না হয়, যেখানে নীতিহীন শক্তিধররা তাদের যা খুশি তা দখল করে নেবে। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ঘটনার দিকেই ইঙ্গিত করে জার্মান প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

কঠোর ভাষায় দেওয়া এক বক্তব্যে জার্মানির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার বলেন, বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আক্রমণের মুখে পড়েছে।

তার বক্তব্যে সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রতিফলন স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

যদিও জার্মান প্রেসিডেন্টের পদটি মূলত আনুষ্ঠানিক, তবুও তার কথার রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। পাশাপাশি, সক্রিয় রাজনীতিবিদদের তুলনায় তিনি নিজের মতামত প্রকাশে তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেন।

স্টাইনমায়ার বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল এবং ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন ছিল ইতিহাসের একটি বড় মোড়।

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আচরণ সেই ধারাবাহিকতায় আরেকটি বড় ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি)গভীর রাতে এক সিম্পোজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের ভাঙন। অথচ এই দেশটিই একসময় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।’

তিনি আরো বলেন, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো—বিশ্ব যেন এমন অবস্থায় না পৌঁছায়, যেখানে এটি ‘লুটেরাদের আস্তানা’তে পরিণত হয়।

এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে সবচেয়ে নীতিহীন শক্তিগুলো যা খুশি দখল করে নেয় এবং অঞ্চল বা পুরো দেশ কয়েকটি পরাশক্তির সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডি পরিচালিত এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৭৬ শতাংশ জার্মান নাগরিক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর এমন কোনো অংশীদার নয়, যার ওপর জার্মানি নির্ভর করতে পারে। এটি ২০২৫ সালের জুনের তুলনায় তিন শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

মাত্র ১৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে পারেন—যা এই নিয়মিত জরিপে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন হার। এর বিপরীতে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ জার্মান নাগরিক বলেছেন, তারা ফ্রান্স ও ব্রিটেনের ওপর নির্ভর করতে পারেন।

জরিপে আরো দেখা গেছে, ৬৯ শতাংশ জার্মান ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রায় একই সংখ্যক মানুষ মনে করেন, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষার ওপর আর ভরসা করতে পারে না। যদিও যুক্তরাষ্ট্রই এই সামরিক জোটের সবচেয়ে শক্তিশালী সদস্য।

সূত্র: রয়টার্স

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

 


 

প্রেসিডেন্টজার্মানিযুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন: