শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ৩ কোম্পানি যুক্তরাজ্যে দেউলিয়া হওয়ার পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ৩ কোম্পানি যুক্তরাজ্যে দেউলিয়া হওয়ার পথে
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ৩ কোম্পানি যুক্তরাজ্যে দেউলিয়া হওয়ার পথে

যুক্তরাজ্যে দেউলিয়ার মুখে পড়েছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরও তিনটি কোম্পানি। লন্ডনভিত্তিক রিয়েল এস্টেট সংবাদমাধ্যম বিজনাও জানিয়েছে, এই কোম্পানিগুলো সম্প্রতি প্রশাসকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জেডটিএস প্রপার্টিজ লিমিটেড, রুখমিলা প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং নিউ ভেঞ্চারস (লন্ডন) লিমিটেড নামে এই তিন কোম্পানির মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ১৪২ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা)। ২৯ জুলাই থেকে এ কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নেয় এক আর্থিক প্রশাসনিক সংস্থা।

সংবাদে আরও জানানো হয়েছে, কোম্পানিগুলো মোট ৭৮ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণের বোঝা বহন করছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডিবিএস ব্যাংক জেডটিএসের মালিকানাধীন সম্পত্তি নিয়ে ঋণ দিয়েছে। এসব ঋণ মূলত লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোকে জামানত রেখে নেওয়া হয়েছে।

সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণ শোধে ব্যর্থ হলে দেউলিয়া হিসেবে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। সাইফুজ্জামানের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এ বছরের শুরুতে তার আরও তিনটি কোম্পানি প্রশাসকের হাতে চলে গিয়েছিল, যেগুলোর মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২৯ মিলিয়ন পাউন্ড। বর্তমানে প্রশাসকরা এসব কোম্পানির সম্পদ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। নতুন কোম্পানির যুক্ত হওয়ার ফলে সম্পদের পরিমাণ বাড়ার কারণে বড় ধরনের বিক্রির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যেই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রী থাকাকালীন সময় তার সরকারি বেতন তুলনামূলক কম থাকলেও যুক্তরাজ্যে ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি (৮ হাজার কোটি টাকার বেশি) মূল্যমানের সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন। ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (NCA) ইতোমধ্যেই তার প্রায় ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দ করেছে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: