শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মিন অং হ্লাইং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর গত পাঁচ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকলেও, এই নতুন পদের মাধ্যমে তিনি নিজের শাসন ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিলেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানী নেপিডোর পার্লামেন্ট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৬৯ বছর বয়সী হ্লাইং প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। শপথ গ্রহণের পর দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে এবং একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়। ওই অভ্যুত্থানের পর সু চিকে আটক করা হয় এবং দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা এখনও চলছে।

সম্প্রতি জান্তার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নির্বাচনে (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) সু চির দলসহ বিরোধী বেশিরভাগ দল অংশ নেয়নি। ফলে সামরিক বাহিনী-সমর্থিত প্রার্থীরা প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেন। গত ৩ এপ্রিল পার্লামেন্টে ভোটে হ্লাইং ৫৮৪ ভোটের মধ্যে ৪২৯ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

শপথ অনুষ্ঠানের আগে হ্লাইং শীর্ষ সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান, যা ২০০৮ সালের সংবিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় ছিল। তাঁর ৩০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বা বর্তমান সামরিক কর্মকর্তা। অনেকেই ২০২১ সালের জান্তা সরকারে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০ জনের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নেপিডোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের আগে কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাঁদের অনেকেই সু চির প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একই সঙ্গে অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে চাকরি ছেড়ে দেওয়া সরকারি কর্মচারীদের কাজে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে সমালোচকরা এসব পদক্ষেপকে ‘লোক দেখানো’ বলে অভিহিত করেছেন। হ্লাইং দাবি করেছেন, তাঁর সরকার সামাজিক পুনর্মিলন, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাধারণ ক্ষমা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করবে। তবে ভাষণে তিনি অং সান সু চির নাম একবারও উল্লেখ করেননি। সু চি এখনও কারাগারে আছেন এবং ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন, যাকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করে।

ভোরের আকাশ/এনউব

মিন অং হ্লাই

শেয়ার করুন: