শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটে ফিলিপাইনে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে ফিলিপাইনে। এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র দেশে 'ন্যাশনাল এনার্জি ইমার্জেন্সি' বা ‘জ্বালানি বিষয়ক জাতীয় জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।

ফিলিপাইন প্রয়োজনীয় তেলের ৯৮ শতাংশ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওই আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দেশটিতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মার্কোস এক নির্বাহী আদেশে জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন ‘বিপদের মুখে', যা সামগ্রিক অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করতে পারে। খবর বিবিসির

এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে ফিলিপাইন সরকার বিশেষ কিছু আইনি ক্ষমতা পেয়েছে। যেমন, জ্বালানির মজুত বাড়াতে সরকার এখন সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কিনতে পারবে।

জরুরি অবস্থা ঘোষণার পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুশৃঙ্খল বণ্টন নিশ্চিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রদান এবং মজুতদারি রোধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

ফিলিপাইনের জ্বালানি মন্ত্রী শ্যারন গেরিন জানিয়েছেন, বর্তমান ব্যবহার অনুযায়ী তাদের কাছে মাত্র ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জ্বালানি সংকট

শেয়ার করুন: