শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের উত্তরাখণ্ডে আকস্মিক বন্যায় প্রাণ গেল ৪ জনের, ভেসে গেল ঘরবাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ আগস্ট ২০২৫, ১:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতের উত্তরাখণ্ডে আকস্মিক বন্যায় প্রাণ গেল ৪ জনের, ভেসে গেল ঘরবাড়ি
ভারতের উত্তরাখণ্ডে আকস্মিক বন্যায় প্রাণ গেল ৪ জনের, ভেসে গেল ঘরবাড়ি

ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের উত্তরকাশী জেলার ধরালী গ্রামে ভয়াবহ মেঘ বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় সেখানকার জনজীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ দুর্দশা। ধরালী গ্রামটি গঙ্গোত্রী যাত্রাপথে একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবিরতির স্থান হিসেবে পরিচিত। সেখানে রয়েছে অনেক হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং থাকার ব্যবস্থা, যা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, হঠাৎ নেমে আসা পানির তোড়ে রাস্তার ওপর থাকা মানুষ, যানবাহনসহ সবকিছু ভেসে যাচ্ছে। কেউ দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন, কেউবা হতবাক দাঁড়িয়ে। এক আতঙ্কিত ব্যক্তি ভিডিওতে বিস্ময়ে বলে উঠেছেন—“বাপ রে বাপ!”

উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে লেখেন, “উত্তরকাশীর ধরালী এলাকায় বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। এসডিআরএফ, এনডিআরএফ, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে। আমি সব সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।”

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) ১২তম ব্যাটালিয়নের একটি ১৬ সদস্যের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আরও একটি ইউনিটকে পাঠানো হয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যে।

সরকার স্থানীয় বাসিন্দাদের নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। শিশু ও গবাদিপশুর নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্ষাকালে উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি অঞ্চলে এই ধরনের দুর্যোগ প্রায়ই ঘটে থাকে, যা পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বহন করে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: