শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা ভয়াবহতা, আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০০ ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৭ আগস্ট ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত
সংগৃহীত

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা প্রথমবারের মতো চার হাজার ছাড়িয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চার হাজার ৫৩ জন ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে এক হাজার ৮৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৫ মে প্রাদুর্ভাব আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার কয়েক মাস আগেই রোগটি ছড়াতে শুরু করেছিল। তাদের ধারণা, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় আরো বেশি হতে পারে। দেশটির জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, ইতুরি, উত্তর কিভু, দক্ষিণ কিভু, ওত-উয়েলে এবং শোপো—এই পাঁচটি প্রদেশে ইবোলা শনাক্ত হয়েছে।

গত মাসে সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এই প্রাদুর্ভাব জানুয়ারি বা তারও আগে ইতুরি প্রদেশে শুরু হয়েছিল। গবেষকরা জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন

একযোগে ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে পাওনা দেবে সরকার

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ শনাক্তে বিলম্ব, দুর্বল নজরদারি, চলমান সামরিক সংঘাত এবং এই ভাইরাসের ধরনটির জন্য কার্যকর টিকা ও চিকিৎসার অভাবের কারণে ইবোলা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব।

এর চেয়ে বড় ছিল ২০১৪-১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা মহামারী, যেখানে গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ২৮ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন।

ভোরের আকাশ/ইউএম

ডিআর কঙ্গো,ইবোলা প্রাদুর্ভাব

শেয়ার করুন: