শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার ভোর আসবেই: মাহমুদ আব্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার ভোর আসবেই: মাহমুদ আব্বাস
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার ভোর আসবেই: মাহমুদ আব্বাস

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভিডিও ভাষণের মাধ্যমে স্বদেশ, নির্বাসন ও প্রবাসে থাকা ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন, “স্বাধীনতার ভোর আসবেই। আমরা আমাদের স্বদেশ ছেড়ে যাব না।”

তিনি বলেন, “যত বড় ক্ষত বা দীর্ঘ দুর্ভোগই হোক না কেন, তা আমাদের বেঁচে থাকার ও টিকে থাকার ইচ্ছাকে ভেঙে দিতে পারবে না। ফিলিস্তিন আমাদের। জেরুজালেম আমাদের হৃদয়ের রত্ন এবং চিরন্তন রাজধানী। আমরা আমাদের স্বদেশ ছেড়ে যাব না।”

আব্বাস আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনিরা জলপাই গাছের মতো শিকড় গেঁড়ে থাকবে, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উঠে দেশ পুনর্গঠন করবে এবং পবিত্র ভূখণ্ড থেকে আশা, সত্য ও ন্যায়ের বার্তা পাঠাবে।

তিনি ভাষণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন:

গাজায় যুদ্ধ বন্ধ: অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান।

মানবিক সহায়তা: জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে মানবিক ত্রাণ নিশ্চিত এবং ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার বন্ধ।

বন্দী বিনিময়: উভয় পক্ষের সকল জিম্মি ও বন্দীর মুক্তি।

দখলদারত্ব ও বসতি স্থাপন: গাজা থেকে দখলদার বাহিনীর প্রত্যাহার, ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ বা স্থানান্তরের প্রতিরোধ, বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাস বন্ধ এবং জমি ও পবিত্র স্থান রক্ষার নিশ্চয়তা।

গাজা উপত্যকার দায়িত্ব: ফিলিস্তিনি সরকারের নেতৃত্বে প্রশাসন পরিচালনা ও পশ্চিম তীরের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ।

পুনর্গঠন ও বাস্তুচ্যুতি: গাজার বাসিন্দাদের তাদের ভূখণ্ডে রাখা এবং পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার বাস্তবায়ন।

অর্থনৈতিক অবরোধ: ইসরায়েলের মাধ্যমে আটকানো ফিলিস্তিনিদের অর্থ মুক্ত করা ও শহর, গ্রাম ও শরণার্থী শিবির থেকে বাধা তুলে নেওয়া।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: