শিরোনাম
২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দাম২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দাম

ছুটি শেষে ফের বিক্ষোভে ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছুটি শেষে ফের বিক্ষোভে ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা
ছুটি শেষে ফের বিক্ষোভে ফ্রান্সের শিক্ষার্থীরা

দুই সপ্তাহের শরৎকালীন ছুটি শেষে ফ্রান্সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর সোমবার (২ নভেম্বর) উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবারও বিক্ষোভ ও স্কুল অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে ছুটির আগের কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এবার আন্দোলনের তীব্রতা এবং অবরুদ্ধ স্কুলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছুটির আগে ফ্রান্সের ৩ হাজারের বেশি উচ্চবিদ্যালয়ের মধ্যে কয়েক শ বিদ্যালয় অবরোধ করা হয়েছিল। গত সেপ্টেম্বরে প্যারিসের উপকণ্ঠে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ধীরে ধীরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষাব্যবস্থার দাবির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়েও আন্দোলন জোরালো হয়। এতে শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিভিন্ন অধিকারকর্মীরাও যুক্ত হন। কোনো কোনো স্থানে আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেয়।

ফ্রান্সের পাশাপাশি জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জেন-জি (Gen Z) বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা এবং দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এসব আন্দোলন গড়ে উঠেছে।

ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে সোমবার সকালে রেডিও স্টেশন ফ্রান্স ইন্টারকে বলেন, বিদ্যালয় অবরোধের চেষ্টা এখন খুবই সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। মাত্র কয়েকটি বিদ্যালয়ে বিচ্ছিন্নভাবে এমন ঘটনা ঘটছে। তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভ করার অধিকার শিক্ষার্থীদের রয়েছে, তবে বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া বেআইনি।

টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে তাদের পুরোপুরি দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের পোশাকে দেখা যায়নি।

শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে পুরোনো ও জরাজীর্ণ বিদ্যালয় সংস্কার, শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সামাজিক বৈষম্য তৈরি করে বলে মনে করা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতি বাতিল করা।

গত সপ্তাহে শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ২৮ জনে সীমিত রাখা, বিদ্যালয় সংস্কারে ৪ বিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ১৫ হাজার আসন তৈরি এবং ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন ভর্তি পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব দেন।

তবে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা এসব প্রস্তাবকে যথেষ্ট মনে করছেন না। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গত মাসে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও দাঙ্গায় রূপ নেয়। এ সময় বিভিন্ন দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সংখ্যালঘু সরকারের জন্য এসব ঘটনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: