শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকে অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো নিয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রশান্ত মহাসাগরে স্মরণকালের অন্যতম শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে ‘এল নিনো’। বিগত ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ও শক্তিশালী ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউিএমও)।

এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে খরা, দাবানল, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সমগ্র বিশ্বকে ‘চরম আবহাওয়ার আশঙ্কাজনক অঞ্চলে’ প্রবেশের বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

ডব্লিউএমও-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। সংস্থাটির মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করে জানিয়েছে, এই বৈশ্বিক সংকট আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জনজীবনে ব ড় ধরনের আঘাত হানবে।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন, ‘চোখের সামনে এল নিনো অস্বাভাবিক রূপ নিচ্ছে। বিজ্ঞান এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ রাখছে না যে, পৃথিবী এক অভূতপূর্ব জলবায়ু সংকটে প্রবেশ করেছে।’

সাধারণত ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে বায়ুপ্রবাহের ধরন বদলে গিয়ে এল নিনোর সৃষ্টি হয়।

পরিমাপক অনুযায়ী, সম্প্রতি সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামীতে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এমনটা ঘটলে তা ১৯৫০ সালের পর বা গত ৭০ বছরে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হিসেবে রেকর্ড গড়ে তুলবে।

এর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা ও উত্তর দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র খরা ও দাবানল দেখা দিতে পারে। এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টরের বেশি বনাঞ্চলে দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের (ক্লাউড সিডিং) সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিএডিসির বহুল প্রত্যাশিত স্কেল ভেটিং সংশোধনের আদেশ প্রধানমন্ত্রীর

অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জুলাই ও আগস্টে একাধিক শক্তিশালী টাইফুনের মুখোমুখি হওয়া চীনে এ বছর নতুন করে মোট সাতটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার শঙ্কা রয়েছে।

এর বাইরে দক্ষিণ আমেরিকার পেরু, ইকুয়েডর ও ব্রাজিলে অতিবৃষ্টি ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে লাখ লাখ মানুষ রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিশেষ চিকিৎসা জাহাজ ‘ইউএসএনএস কমফোর্ট’ পেরু উপকূলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জাতিসংঘ

শেয়ার করুন: